Friday, August 18, 2017

স্ট্রোক হলে বাসায় প্রাথমিকভাবে যা করবেন



স্ট্রোক বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের যদি সময়মতো হাসপাতালে না নিয়ে যাওয়া হয় তবে তাদের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। কিন্তু যদি বাড়িতে এমন রোগী থাকে সেক্ষেত্রে কিছু ঘরোয়া টোটকা মনে রাখা উপকারী হতে পারে। যদি ঠিকমতো তা প্রয়োগ করতে পারেন তবে রোগীর প্রাণহানির আশঙ্কা অনেকাংশে কমানো যেতে পারে।
এই পদ্ধতি চীনের আকুপাংচার চিকিৎসা পদ্ধতি অনুযায়ী করা হয়ে থাকে। চীনের অধ্যাপকদের মতে, এই পদ্ধতি অনুসরণ করে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। প্রায় প্রতি ক্ষেত্রে রোগী হয় প্রাণে বেঁচেছেন না হয় চিকিৎসার জন্য অতিরিক্ত সময় পেয়েছেন। দেখে নিন ঘরে কীভাবে এই রোগের মোকাবেলা করা হয়।
যদি মনে হয়, রোগী পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হচ্ছেন বা হতে পারেন তাহলে তৎক্ষণাৎ ইনজেকশনের সুচ বা সাধারণ সেলাই করার সুচ নিয়ে তার সামনের দিকটি আগুনে পুড়িয়ে নিন। এতে সুচ জীবাণুমুক্ত হবে। এরপর সেটি নিয়ে হাতের ১০টি আঙুলের ডগার নরম অংশে সামান্য এমনভাবে ফুটিয় দিন যেন সেখানে রক্তপাত হয়। এর জন্য আলাদা করে কোনো ডাক্তারি জ্ঞান থাকা আবশ্যক নয়। মিনিটখানেক অপেক্ষা করে দেখুন রোগী ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছেন কি না।
যদি এরপরেও দেখেন তার মুখ বেঁকে যাচ্ছে তা হলে তার দুই কানে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। এমনভাবে করুন যাতে কান লাল হয়ে যায়। এর অর্থ, কানে রক্ত পৌঁছাচ্ছে। এবার কানের নরম অংশে সুচ দিয়ে সামান্য ক্ষত করুন যাতে দুই কান থেকে দু’এক ফোঁটা রক্ত ক্ষরণ হয়। এর ফলে রোগী সামান্য আরাম পাবেন। একটু স্বাভাবিক হলেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
মনে রাখবেন, এই পদ্ধতি শুধু দুর্ঘটনা এড়ানোর উপায়, যাতে রোগীর চিকিৎসার জন্য অতিরিক্ত সময় পাওয়া যায়।

দাঁতকে ঝকঝকে সাদা করার কিছু ঘরোয়া উপায়



মানুষের গুরুত্বপূর্ন অঙ্গ গুলির মধ্যে ঝকঝকে সাদা দাঁত অন্যতম। আর সুন্দর দাঁত মানেই আত্মবিশ্বাস। সামান্য একটু মুক্তা ঝরা হাসিতে যেমন কারও মন কেড়ে নেয়া নিমিষে, তেমনি হলদে দাঁতের হাসি বিরূপ ধারণা তৈরি করে এক মূহূর্তেই। তাই একটু আলাদা করেই যেন নিতে হয় দাঁতের যত্ন।

তবে ঝকঝকে সাদা দাঁত পেতে হলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে–এই ধারণাটা ঠিক নয়। ঘরোয়া কিছু উপাদান ব্যবহার করে আপনি নিজেই আপনার দাঁতকে করতে পারেন মুক্তার মত সুন্দর আর উজ্জ্বল। তাই এখনই জেনে নিন দাঁতকে ঝকঝকে সাদা করার কিছু ঘরোয়া উপায়।

১. লেবুর ব্যবহার : প্রতিদিন দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করার পর পরিষ্কার দাতেঁ এক টুকরো লেবু নিয়ে ঘষতে থাকুন । এভাবে ৫/৬ মিনিট ধরে ঘষতে থাকলে ৭ দিনের মধ্যে উত্তম রেজাল্ট পাবেন। এতে শুধু আপনার দাঁত পরিষ্কার হবে তা নয় বরং দাতেঁর রংও ফিরবে ।

২. লবনের ব্যবহার: আপনি প্রতি রাতে যখন দাঁত ব্রাশ করেন। এরপর লেবুর ব্যবহার করতে হবে। লেবুর ব্যবহার শেষ করে হাতে লবন নিন। লবন আঙ্গুলের মাথায় নিয়ে ৫/৭ মিনিট ঘষুন তারপর কুলি করে ফেলুন। এভাবে এটিও ৭ দিন নিয়মিত করেন। এতে দাঁতের গোড়া হবে শক্ত ও মজবুদ। এখন অনেক টুথপেস্টেও লবনের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

৩. কলার খোসার ব্যবহার : কলা খাওয়ার পর খোসাটি না ফেলে সেটি একাকী দাতেঁ ঘষতে থাকুন। প্রতিদিন এভাবে দুটি কলা খান এবং খোসাটি ঘসুন ৫ মিনিট ধরে । ৭ দিন হওয়ার আগেই এর ফলাফল পাবেন। ঝকঝকে সাদা দাঁত। এছাড়া কলার খোসা দিয়ে আপনার রুপ চর্চাও করতে পারেন।

৪. বেকিং সোডা : বেকিং সোডার সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে দাঁতে লাগিয়ে ১ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে দাঁত ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

৫. কমলার খোসা কিংবা কলার খোসা : কমলা এবং কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম যা দাঁত সাদা করতে সহায়তা করে। এই ফলগুলো খেয়ে খোসা ফেলে না দিয়ে দাঁতে ঘষে নিন। তাই সপ্তাহে অন্তত দুইবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করুন। ব্যবহারের কিছুক্ষণ পর দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন।

৬. আপেল, গাজর এবং দুধ : ঝকঝকে সাদা দাঁত পেতে হলে খাবার তালিকায় নিয়মিত গাজর, আপেল এবং দুধ রাখতে হবে। এই খাবারগুলো দাঁতের এনামেলকে ঠিক রাখে।

৭. অ্যাপেল সিডার ভিনেগার : আঙ্গুলের ডগায় অ্যাপেল সিডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ দাঁতে ঘষে নিন। এভাবে প্রতিদিন ব্যবহারে দাঁতের হলদে ভাব কমে যাবে।

৮. সঠিক নিয়মে ব্রাশ করা : আমরা বেশির ভাগ মানুষই সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করি না। চিকিৎসকদের মতে, দিনে অন্তত দুইবার দুই মিনিট সময় নিয়ে দাঁত ব্রাশ করা উচিত। দাঁত ব্রাশের সময়ে অবশ্যই নরম ব্রাশ ব্যবহার করা উচিত। শক্ত ব্রাশ ব্যবহার করলে মাড়ি এবং দাঁতের এনামেলের ক্ষতি হয়। এছাড়াও নিয়মিত ফ্লসিং করতে হবে।

ফরমালিনের আধিপত্য এবং আমাদের করণীয়



ফরমালডিহাইড একধরণের রাসায়নিক যৌগ। এই উপাদানটি পানিতে মেশালে যে মিশ্রণটি তৈরি হয় সেটাকেই ফরমালিন বলা হয়ে থাকে। ফরমালিন বর্তমানে আমাদের দেশে একটি আতঙ্কের নাম। আর তার কারণ হলো কমবেশি সকল প্রকারের খাবারেই ফরমালিনের উপস্থিতি পাওয়া যায়। বিশেষ করে কাঁচা মাছ এবং কিছু ফলের মধ্যে এই ফরমালিনের পরিমাণটা মাত্রাতিরিক্ত বেশি থাকে।
যে কারণে ফরমালিন ব্যবহার করা হয়

ফরমালিন মূলত খাবারের পচনরোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। ফরমালিন ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাককে মেরে ফেলে এবং নতুন করে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম রোধ করে। আর তাই তাজা ফল, শাকসবজি, মাছ-মাংস বেশি সময় পর্যন্ত সতেজ রাখার জন্য এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা খাবার ক্ষতিকর এই উপাদানটি ব্যবহার করে।

স্বাস্থ্যে ফরমালিনের ক্ষতিকর প্রভাব

ফরমালিন মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি উপাদান। ফরমালিনের ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান কিডনি, হার্ট, লিভার সবকিছুই নষ্ট করে ফেলে ধীরে ধীরে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের শরীরে খুব দ্রুত ফরমালিনের প্রভাব পরে। ফরমালিনযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণে ফুসফুস কিংবা লিভারের ক্যান্সারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে ফরমালিন চোখের রেটিনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে। আর ফরমালিনের সবচাইতে মারাত্মক প্রভাব পড়ে গর্ভবতী মায়েদের উপর। ফরমালিনযুক্ত খাবার গর্ভের সন্তানকে বিকলাঙ্গ করে দিতে পারে। অনেক সময়ে গর্ভের সন্তানের অকাল মৃত্যুর কারণ হিসেবেও ফরমালিনকেই দায়ী করা হয়ে থাকে।

তাহলে কী করণীয়?

ফরমালিনের আধিপত্য থেকে মুক্ত থাকতে চাইলে তিনটি কাজ করা যেতে পারে। জেনে নিন সেগুলো সম্পর্কে।

- ফরমালিনযুক্ত ফল, শাক-সবজি বাজার থেকে নিয়ে আসার পর ৩০ মিনিট ভিনেগার মেশানো হালকা গরম পানিতে সেগুলো ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ভালো করে ধুয়ে ব্যবহার করুন। আর মাছ মাংসে ফরমালিন থাকলে সেগুলো ভিনেগার কিংবা লবন মেশানো পানিতে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে ব্যবহার করুন। এতে ফরমালিনের আধিক্য অনেকটাই কমে যাবে।

- আজকাল বেশ কিছু অনলাইন শপ কিংবা কিছু নির্দিষ্ট দোকানে প্রাকৃতিক বিষমুক্ত শাক-সবজি, ফল এবং মাছ -মাংস পাওয়া যায়। নির্ভেজাল এই পণ্যগুলো নিজের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রেখে পরিবারের সবাইকে বিষমুক্ত খাবার পরিবেশন করতে পারেন।

-নিজের উঠানে বা বাড়ির ছাদে নিত্য প্রয়োজনীয় শাক-সবজি-ফল চাষ, কিংবা মুরগি,কবুতর, কোয়েল পাখি ইত্যাদি লালন-পালন করতে পারেন। পুকুর না থাকলেও ছাদে বা বাড়ির উঠানে ছোট পরিসরে মাছ চাষ করতে পারেন ট্যাঙ্ক বানিয়ে। এভাবে নিজের পরিবারকে বিষমুক্ত খাবার খাওয়ানোর পাশাপাশি আপনার সময়টাও বেশ সুন্দর কাটবে। সেই সঙ্গে সবাই আপনার সৌখিনতারও প্রশংসা করবে।

প্রসাবে জ্বালা পোড়ার কারন ও প্রতিকার


অনেকের প্রসাব এসময় হলুদ হয়
মানে শরিরে পানি কমে গেছে আর শরির
থেকে লবন ও পানি বের হয়ে গেছে তাই তখন
খাবার স্যালাইন খাবেন। অনেকের গরমে চোখ
জালা পোড়া করে,তখন চোখে ঠান্ডা পানির
ঝাপ্টা দিলে ঠিক হয়ে জাবে। পরিচ্ছন্নতার
জন্য প্রতিদিন ২ বার গোসল করা ভাল।

ইসলামের দৃষ্টিতে হস্তমৈথুন কি?


ইসলাম হস্তমৈথুন কে কঠিন ভাবে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে।ইসলাম বৈধ স্ত্রী ব্যতিত অন্য কোন ভাবে যৌনক্ষুধা মেটানো কে সমর্থন করেনা । তাই এর থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
.
হস্তমৈথুন এর ফলে শারিরিক কোন ক্ষতি হয় কিনা?
.
আধুনিক বিঞ্জান মতে হস্তমৈথুন এর ফলে কোন ক্ষতি হয়না ।
.
তবে হোমিও, আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী শাস্ত্র মতে এর ব্যপক ক্ষতিকর দিক রয়েছে । আর এটাই বাস্তব । যেমন, হোমিও আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী শাস্ত্র মতে হস্তমৈথুন এর ফলে নিম্নবর্তী রোগ গুলো হতে পারে
১.যৌন দুর্বলতা
২.মানসিক অবসাদ
৩.স্নায়ুবিক দুর্বলতা
৪.ধাতু দুর্বলতা
৫.ধাতু তরল হয়ে যাওয়া
৬.গনোরিয়া রোগ
৭. লিঙ্গের আগা মোটা গোড়া চিকন
৯.লিঙ্গ বাঁকা
১০.মাথা ঘুরানো
১১.ঘন ঘন স্বপ্নদোষ
.