Showing posts with label mysterious world. Show all posts
Showing posts with label mysterious world. Show all posts

Wednesday, March 22, 2017

আমেরিকানদের সম্পর্কে ২০টি দারুণ তথ্য - American Top 20 Facts you never thought before - American Pie - American Girl - American Life style


http://bdwedding.blogspot.com/

আমেরিকানদের বিষয়ে সবাই আগ্রহের কমতি নেই। বিশ্বের ধনী ও ক্ষমতাশালী দেশের মানুষদের সম্পর্কে কে না জানতে চায়। এখানে জেনে নিন তাদের সম্পর্কে কিছু বিস্ময়কর তথ্য। এসব তথ্য পিউ রিসার্চ সেন্টার, গ্যালআপ পোলস এবং অন্যান্য সূত্র থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

১. ৫১ শতাংশ আমেরিকান উচ্চ-
মধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত।
২. ৫১ শতাংশ আমেরিকান
আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারেন
না যে, বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে এই
মহাবিশ্বের সৃষ্টি।
৩. ৫২ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন,
তাদের একটি করে বন্দুক রাখা বড়
অধিকার।
৪. ৫৩ শতাংশ আমেরিকান গাঁজাকে
আইনগতভাবে বৈধ করে দেওয়া উচিত
বলে মনে করেন।
৫. ৫৪ আমেরিকান বিশ্বের মধ্যে
নিজেদের দারুণ ক্ষমতাশালী বলে
মনে করেন।
৬. ৫৫ শতাংশ আমেরিকান স্টক
মার্কেটে বিনিয়োগ করেন।
৭. বিশ্ব রাজনীতিতে ওবামা সঠিক
সিদ্ধান্ত নেন বলেই বিশ্বাস করেন ৫৮
শতাংশ আমেরিকান।
৮. অনলাইন ডেটিংকে দারুণ মাধ্যম
বলে মনে করেন ৫৯ শতাংশ
আমেরিকান।
৯. সমকামী বিয়ের পক্ষে রয়েছে ৬০
শতাংশ আমেরিকান।
১০. ৬১ শতাংশ আমেরিকান গাড়ি
চালাতে চালাতে মোবাইলে
মেসেজ লিখেন।
১১. জন এফ কেনেডি হত্যার ঘঠনায় বহু
মানুষ জড়িত বলে মনে করেন ৬১
শতাংশ মানুষ।
১২. ৬৩ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন,
ধনীদের সম্পদের বড় একটি অংশ বহু
দরিদ্রের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া
যায়।
১৩. ৬৪ শতাংশ আমেরিকানের
স্মার্টফোন রয়েছে।
১৪. ৬৪ শতাংশ বিশ্বাস করেন বৈশ্বিক
উষ্ণতা জীবনযাপনে সমস্যা সৃষ্টি করবে
না।
১৫. ৭০ শতাংশ আমেরিকান খ্রিস্টান।
তবে সম্প্রতি এ সংখ্যা বেশ কমে
এসেছে।
১৬. ৭৩ শতাংশ আমেরিকান জীবনে
কমপক্ষে একজন মানুষের সঙ্গে
থেকেছেন।
১৭. কিছু পরিস্থিতির বিচারে গর্ভপাত বৈধ বলে মনে করেন ৭৯ শতাংশ আমেরিকান।
১৮. ২৫ বছরের বেশি বয়সী ৮৬ শতাংশ
আমেরিকান হাইস্কুল পাস করেছেন।
১৯. ৯৩ শতাংশ আমেরিকানের কংগ্রেসের ওপর আস্থা নেই।
২০. ৬৯ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন,
কেউ মরণঘাতী রোগে আক্রান্ত হলে
তার শান্তিময় মৃত্যু বেছে নেওয়ার
অধিকার থাকা উচিত।
http://bdwedding.blogspot.com/

পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া মজার তথ্য - TOP 20 HORRIBLE FACTS ABOUT EARTH YOU EVER THOUGHT BEFORE !


পৃথিবী যদিও নিজ অক্ষে ঘন্টায় ১০০০
মাইল বেগে ঘোরে, কিন্তু অবিশ্বাস্য
গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে চলে,
যা প্রায় ঘন্টায় ৬৭০০০ মাইল বেগে।

পৃথিবীতে বছরে প্রায় ১০০০০০০ এরও
বেশী ভুমিকম্প হয়ে থাকে। কিন্তু
এগুলো খুব ক্ষণস্থায়ী এবং কম কম্পন সম্পন্ন
তায় আমরা টের পাই না। তবে রিক্টার
স্কেলে কিন্তু এই কম্পন ঠিকই ধরা পরে।

প্রতি সেকেন্ডে পৃথিবীতে প্রায় ১০০
বার বজ্রপাত হয়ে থাকে। এবং গড়ে
বজ্রপাতে প্রতি বছর প্রায় ১০০০ লোক
মারা যায় ।

ডিএনএ প্রথম আবিস্কৃত হয় ১৮৬৯ সালে।
এটি আবিষ্কার করেন সুইস ফ্রেডরিক
মিস্কলার।

আমরা জ্বর মাপার জন্য যে
থার্মোমিটার ব্যবহার করি সেটি ১৬০৭
সালে প্রথম আবিষ্কার হয়। এটি
আবিষ্কার করেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী
গ্যালিলিও।

১২৫০ সালে রজার বেকন আতশী কাচ
আবিস্কার করেন ।

১৮৬৬ সালে আলফ্রেড নোবেল
ডিনামাইট আবিস্কার করেন ।

প্রথম নোবেল পুরস্কার উইলহেম রনজেন
১৮৯৫ এ এক্সরে আবিস্কার করে
(পদার্থবিদ্যা) পান ।

এযাবৎকালের সবচেয়ে উচুতম গাছটি হল
একটি অস্ট্রেলিয়ান ইউক্যালিপটাস
গাছ, যার উচ্চতা ৪৩৫ ফুটের মতো ।

ইলেকট্রিক ঈল মাছ প্রায় ৬৫০ ভোল্ট শক
দিতে পারে ।

১৯৬২ সালে প্রথম টেলিফোন এবং
টিভি সিগন্যাল আদান প্রদানে সক্ষম
যোগাযোগ উপগ্রহ টেলস্টার উৎক্ষেপন
করা হয় ।

জিরাফ অধিকাংশ সময় ২৪ ঘন্টার মধ্যে
মাত্র ২০ মিনিট ঘুমায় । যদিও কখনও কখনও
২ ঘন্টাও ঘুমায় তবে তা খুবই ব্যতিক্রম ।

সারা শরীর ঘুরে আসতে একটি রক্ত
কোষের মাত্র ৬০ সেকেন্ডের মতো সময়
লাগে।

একটা রাবার অনুতে ৬৫,০০০ পরমানু
থাকে।

একজন পুরুষ দেহে এক সেকেন্ডে প্রায়
১০০০ কোষ শুক্র তৈরী হয়, প্রায় ৮৬০০০০০০
এক দিনে ।

প্রতি ঘন্টায় বিশ্বজগৎ চারদিকে
শতকোটি মাইল বিস্তৃত হচ্ছে ।

যদি আলোর গতিতেও যাত্রা শুরু করা
হয়, তাহলেও নিকটস্থ ছায়াপথ
এন্ড্রোমিডাতে যেতে বিশ লক্ষ বছর
লাগবে ।

মিশরের আসওয়ান সবচেয়ে শুস্ক এলাকা
এবং সেখানে বছরে মাত্র .০২ ইঞ্চি
বৃষ্টি হয় ।

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মরুভূমি হলো
সাহারার মরুভুমি। এটির আয়তন প্রায়
৩,৫০০,০০০ বর্গ মাইল ।

একটি কুকুরের গন্ধ শোকার ক্ষমতা
মানুষের চাইতেও ১০০০ গুন বেশী ।

মাধ্যাকর্ষন শক্তি থেকে বের হতে
একটি রকেটকে সেকেন্ডে ৭ মাইল
গতিতে চলতে হয় ।

বাঁশের এমন কিছু প্রজাতি আছে
যেগুলো দিনে প্রায় ৩ ফুট পর্যন্ত বাড়ে।

পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলের তাপমাত্রা ধরা

হয় ৫৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আকার অনুযায়ী গুবরে পোকা (বিটল) হল
পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী পোকা।

একটা রাইনোসোরাস গুবরে পোকা

তার নিজের ‌ওজনের চেয়ে প্রায় ৮৫০
গুন বেশী ওজন বইতে পারে ।

১৯৭৯ সালে জাপানের সনি প্রথম
ওয়াকম্যান বাজারে ছাড়ে।
লাল ও সবুজ গ্যাসের ট্রাফিক সিগন্যাল
বাতি প্রথম শুরু হয় লন্ডনে ১৮৬৮ সালে ।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে সেগুলো
বিস্ফোরিত হয় এবং একজন পুলিশ নিহত
হয়, প্রথম সফল সিগন্যাল বাতি স্থাপন হয়
১৯১৪ সালে ক্লিভল্যান্ড, ওহিওতে ।

মানব হৃৎপিন্ড দিনে প্রায় ১০০,০০০ বার
স্পন্দিত হয় ।

মাথা ছাড়াও তেলাপোকা ৯ দিন
বেচে থাকতে পারে ।

প্রথম বাইসাইকেল তৈরী হয় ১৮১৭
সালে ।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দিন অপেক্ষা
রাতেই শিশু জন্মহার বেশী ।

স্থলচরদের মধ্যে মানুষ ছাড়া আর যে
প্রানীটি কাঁদতে পারে সেটি হল
হাতি ।

শিকারের কারনে বিলুপ্ত হবার প্রায়
১০০ বছর পর ১৫০৭ সালে ডোডো
আবিস্কার হয় ।

প্রতিদিন মহিলারা গড়ে ৭০০০ বাক্য
বলে থাকে, আর পুরুষরা বলে থাকে
২০০০ বাক্য ।

১৯৬১ সালে ব্যাংক অব স্টকহোম প্রথম
ব্যাংকনোট ছাড়ে ।

মানব মস্তিস্ক শরীরের আয়তনের মাত্র
২% হলেও এর শক্তি চাহিদা অনেক ।
মোট শক্তির ২০% ।

এ্যালকোহোল পুরুষের শরীরের
টেস্টোস্টেরন যৌন হরমোনকে কমিয়ে
দিলেও নারী শরীরে তা বাড়িয়ে
দেয় ।

মরুভূমি পৃথীবির প্রায় একসপ্তমাংশ জুড়ে
আছে ।

মরুভূমির তাপমাত্রা প্রায় ৭৭ ডিগ্রি
সেন্টিগ্রেডে উঠতে পারে ।

প্রথম এ্যালার্ম ঘড়ি আবিস্কার হয় ৩,৫০০
বছর আগে এক মিশরীয়র দ্বারা ।

৪,৮০০ বছর আগে মিশরীয়রা ৩৬৫ দিনের
বছর সম্পর্কে জানতো ।

এক কাপ কফিতে ১০০০ এরও বেশী
রাসায়নিক পদার্থ থাকতে পারে ।

একটা নয়া মডেলের শক্তিশালী
কম্পিউটার একটা ০.১ গ্রাম ওজনের
গোল্ডফিসের মস্তিস্কের সমানও কাজ
করতে সক্ষম নয় ।

একটা কম্পিউটারের অন্তত দশ লক্ষাধিক
শক্তিশালী হ্ওয়া লাগবে মানব
মস্তিস্কের সমান কাজ করতে হলে ।

একটা রাই গাছের শিকড় মাটির নীচে
৪০০ মাইল বিস্তার লাভ করতে পারে ।

যদিও রেইনফরেস্ট পৃথীবির ভূপৃষ্ঠের
মাত্র ৭% জুড়ে আছে, কিন্তু পৃথীবির
অন্তত ৪০% প্রানী ‌ও গাছপালা এর উপর
নির্ভরশীল থাকে ।

৮৮% মানুষই ডানহাতি হয়ে থাকে।
স্তন্যপায়ী প্রানীদের মধ্যে ব্যতিক্রম
হলো পাটিপাস এবং একিডনা, যারা
ডিম পাড়ে এবং স্তন্যপান করায় ।

বুধ গ্রহের (মার্কারী) তাপমাত্রা
দিনে ৪০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডেরও
বেশী হয়ে থাকে, কিন্তু রাত্রে – ২০০
ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের নীচে নেমে
যায় ।

জন্মের পর জিরাফের বাচ্চা প্রায় ৬ ফুট
উচু হতে মাটিতে পড়ে, কোনোপ্রকার
আঘাত ছাড়াই ।

চিংড়ির হ্রৎপিন্ড মাথায় থাকে ।

হীরাকে এ্যাসিড দিয়েও গলানো
সম্ভভব নয়, কেবল মাত্র তীব্র তাপের
মাধ্যমেই একে গলানো সম্ভভব ।

একটা বজ্রপাত ভূপৃষ্ঠে ১০০০০০০০০ (১০
মিলিয়ন) ভোল্ট শক্তিতে আসতে
পারে ।

এ্যান্টার্কটিকার ভষ্টককে পৃথিবীর
সবচাইতে শীতল সহান বলা হয়, এখানে
-১২৯ ডিগ্রি ফারেনহাইটের (-৮৯ সেল)
রেকর্ড আছে (১৯৮৩, ২১ জুলাই)।
একটা পেন্সিল দিয়ে গড়ে ৩৫ মাইল
লম্বা দাগ টানা যায় ।

জিরাফ তার ২১ ইঞ্চি লম্বা জিহ্বা
দিয়ে নিজের কান পরিস্কার করতে
পারে ।

সংস্কৃত হলো ইউরোপীয় ভাষার জননী ।
মাছেরা কিন্তু কথা বলে । কিছু কিছু
মাছ দাঁতে দাঁত ঘসে শব্দ সৃষ্টির
মাধ্যমে যোগাযোগ করে ।

পৃথিবীর সবচাইতে ছোট পাখি হলো
হামিংবার্ড।

দ্রুত গতির সাতারুরা ঘন্টায় প্রায় ৬
মাইল বেগে সাতার কাটতে পারে ।
দ্রুত গতির দৌড়বিদরা ঘন্টায় প্রায় ৩০
কি.মি (১৮ মাইল) বেগে দৌড়াতে
পারে । কিন্তু একটা চিতাবাঘ ঘন্টায়
৭৬ কি.মি বা ৪৬ মাইল বেগে
দৌড়াতে পারে ।

চিতাবাঘ কিন্তু সিংহের মতো গর্জন
দেয় না, অনেকটা বিড়ালের মতোই
ডাকে ।

প্রজাপতির ইংরেজি আসল নাম ছিলো
ফ্লুটারবাই, বাটারফ্লাই নয় ।

চেইন বা জিপারের আসল আবিস্কর্তা
ছিলেন এলিয়াস হাওয়ে।

বাদুররা আসতানা ছেড়ে সবসময় বাম
দিকে উড়াল দেয় ।

বই এর ইংরেজি শব্দ বুক এসেছে ল্যাটিন
শব্দ লিবার থেকে ।

একসময় চাইনিজরা কাগজ বানাতে
রেশমি সুতা ব্যবহার করত ।

নীল তিমি পৃথিবীর সবচেয়ে বড়
প্রাণী । এর জিহ্বা একটা হাতির মতো
লম্বা এবং এর হৃদযন্ত্র একটা গাড়ির
সমান ।

পানি ছাড়া ইদুর উটের তুলনায়
বেশিক্ষন টিকতে সক্ষম ।

আমরা যেসকল পোকাকে আলোর প্রতি
আকৃষ্ট বলে মনে করি, প্রকৃতপক্ষে
ব্যাপারটি তা নয়, এসব পোকা আসলে
বাল্বের অন্ধকারতম জায়গাটির খোঁজ
করতে থাকে ।

বাদুর প্রায় ৯০০ ধরনের হয়ে থাকে,
তাদের মধ্যে রক্তচোষা বাদুরের দাত
সবচেয়ে কম ।

ব্যাঙের সবচেয়ে বড় জাতটির নাম
গোলিয়া ।

প্রায় শত বছর আগে চিনারা রকেট
তৈরি করে , যা দেখতে তীরের মতো ।

প্রথম চাকা তৈরি করে সুমেরীয়রা,
৩৪৫০ বি.সি ।

প্রথম লেখার ও আবিস্কার করে
সুমেরীয়রা ।

পেন্সিলে রবার যোগ করার ধারণা
আসে প্রথম জোসেফ রিচেনডর্ফার এর
কাছ থেকে ।

দাবা খেলাটি ভারতে আবিস্কৃত হয় ।
চিঠিতে জিপ কোডের ব্যবহার
আমেরিকার ডাকবিভাগের দ্বারা শুরু
হয় ১৯৬৩ সালে ।

হাঙরের চামড়াকে একসময় সিরিশ
কাগজ হিসেবে ব্যবহার করা হতো ।

শোয়ার ৫ মিনিটের মধ্যেই ঘুমানোর
অর্থ হলো আপনার ঘুমের ঘাটতি আছে ।

১০-১৫ মিনিট হলে অবশ্য তা ঠিক আছে ।

পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১১% (প্রায়) খাদ্য
উৎপাদনে ব্যবহার হয় ।

পৃথিবীর ৩% পানি বিশুদ্ধ, তারমধ্যে ২%
পানি জমাট বরফরুপে আছে, বাকি ১%
পানি আমরা ব্যবহার করে থাকি ।

সবচাইতে বড় ফুল হলো রাফ্লেশিয়া
আর্নল্ড, যা ৩ ফুটের মতো ও ১৫ পাউন্ড
ওজনের হয়। দুর্লভ প্রজাতির এই ফুল
ইন্দোনেশিয়াতে পাওয়া যায়।

উটের চোখের তিনটি পাতা থাকে ।

গোল্ডফিশের স্মৃতি ৩ সেকেন্ড পর্যন্ত
স্থায়ী থাকে ।

উটপাখির চোখ তার মসিতস্কের
চাইতে বড় ।

একমাত্র হামিংবার্ড পেছন দিকে
উড়তে পারে।

বিশ্বে প্রায় ৯৫০০ প্রজাতির ঘাস
আছে ।

পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের আকার হলো
৫,২৫,০০,০০০ বর্গ মাইল ।

প্রতি বছর আমেরিকাতে প্রায় ৭০০ এর
মতো ঘূর্নিঝড় হয় ।

পুটোর গড় তাপমাত্রা প্রায় -৩৯০
ডিগ্রি ফারেনহাইট ।

একমাত্র ভেনাস বা শুক্রগ্রহই আমাদের
সৌরজগতের গ্রহগুলোর উল্টো দিকে
ঘোরে ।

মঙ্গলগ্রহ বা মারস এর নামকরন রোমান
যুদ্ধদেবতার নামে করা হয়, মার্চ মাসের
নামও তার নামানুসারে করা ।

পৃথিবী সেপ্টেম্বর মাসে মার্চ
অপেক্ষা বেশি ঘোরে ।

বরফ এলাকার ভালুকেরা এক বসায় প্রায়
৮৬ টির মতো পেঙ্গুইন খেয়ে ফেলতে
পারে

সফলদের প্রত্যেকেই যে কাজটি করে থাকেন - Secret Tips About How To achive Success in life - A story of a successful Man



বুদ্ধিমত্তা মানুষের ভেতরে ১৫ বছরেও যা থাকে, ৫০ বছরেও প্রায় তাই। আর তাই বুদ্ধিমত্তা ছাড়াও চৌকস হতে হলে লাগে স্থিরবুদ্ধি, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, ইন্দ্রিয়ের প্রখরতা, চতুরতা, কর্মক্ষম, মানসিক প্রস্তুতিসহ আরো বেশকিছু গুণাবলী। আর এই গুণাবলীগুলো একসাথে মিলিয়ে চৌকস হতে পারলেই কেবল হতে পারা যায় একজন সফল মানুষ। কিন্তু বাস্তবে প্রত্যেকটি সফল মানুষের ক্ষেত্রেই কি উপস্থিত থাকে এই ব্যাপারগুলো? হয়তো সবসময়েই নয়। কিন্তু এটা ঠিক যে সফল মানুষদের সবার ভেতরেই থাকে কিছু সাধারন মিল। আপনিও কি মানুষ হিসেবে সাফল্য পেতে চান? তাহলে আসুন জেনে নিন তাদের গুণগুলোকে।

১. স্বতস্ফূর্ত জ্ঞানকে প্রাধ্যান্য দেওয়া

সফল মানুষেরা জানেন যে পৃথিবীতে যা দেখা হচ্ছে সবটাই সেরকম নয়। এ কারণে ঘটনার চাইতে নিজেদের ইন্দ্রিয় আর স্বতস্ফূর্ত অনুমানের ওপরে অনেকটা নির্ভর করেন তারা। এর ওপরে ভিত্তি করেই ঠিক কখন, কি আর কার সাথে কোন বিষযে কথা বলতে হবে সেটা ঠিক করে নেন (বিজনেস ইনসাইডার) । সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সবসময় যুক্তি নয়, অনুভূতির ওপরে জোর দেন সফলেরা। কারণ তারা জানেন যে এটাই ঠিক। আর এই অনুমান শক্তিটা সফলদের সবার ক্ষেত্রে উপস্থিত থাকে বলেই এতটা উপরে উঠতে পারেন তারা।

২. আত্মসচেতনতা বাড়িয়ে তোলা

সফল মানুষেরা চাপাশের মানুষকে যতটা জানতে চান, তার চাইতে বেশি জানতে চান নিজেকে। নিজের শক্তি, দূর্বলতা, বিশ্বাস, নৈতিকতা- সবটা সম্পর্কে পরিষ্কার একটা ধারণা থাকে তাদের ( এন্টারপ্রেনার ) । আর এ কারণেই কখনোই কোন ভুল করেন না তারা। নিজের আবেগকে জড়িয়ে ফেলেন না কাজে। ভালো কাজ আর ভালো মানুষ হিসেবে তৈরি হওয়ার জন্যে নিজেকে জানা খুবই দরকার। আর তাই নিজেকে প্রতিনিয়ত আরো ভালো করে জানবার, আরও একটু উন্নত করার চেষ্টা করেন তারা।

৩. অতীতকে সাথে নিয়ে এগিয়ে চলা

সফল মানুষেরা কখনোই নিজেদের অতীতে আটকে থাকতে চাননা। তবে তাই বলে সেটাকে ভুলেও যাননা পুরোপুরি। বরং অতীতকে জানলার ওপরে রেখে দেন তারা। যেটাকে ইচ্ছে করলেই দেখে নিয়ে নিজের আগের ভুলগুলো চিনে নেওয়া যায়। এ ব্যাপারে পুরোপুরি সতর্ক থেকেই সামনের দিকে এগিয়ে যান তারা। প্রতিনিয়ত নিজের অতীতকে শুধরে নিয়ে একের পর এক নতুন কিছু নিয়ে কাজ করেন আর নতুনকে স্বাগত জানান। নতুন সম্ভাবনাকে স্বাগতম জানাতে ব্যায় করেননা একটি মিনিটও। দিনের পর দিন আরো বেশি অনুসন্ধানী হয়ে ওঠেন নতুনকে নিয়ে। ( বিজনেস ইনসাইডার )

৪. প্রতিনিয়ত শিক্ষা নেওয়া

মানুষ তখনই ভালো কোন স্থানে পৌঁছতে পারে যখন তার সাথে থাকে আরো অনেকের শক্তি। সফল মানুষেরা নিজের কাছে সত্ থাকেন আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে পছন্দ করেন বটে, তবে এর সাথে সাথে অন্যদেরকেও সমাদর করতে ভোলেননা। গড়ে তোলেন বিশাল এক নেটওয়ার্ক। জীবনে কষ্ট থাকবেই। সেই সাথে আনন্দও। এ দুটোর মিশেলেই জীবন থেকে সবাইকে সাথে নিয়ে প্রতিনিয়ত শিক্ষা নেন সফল মানুষেরা। ( এন্টারপ্রেনার )

৫. নিজেকে উন্নত করে তোলা

সফলদের চলার পথ কখনো শেষ হয়না। প্রতিনিয়ত নিজের ওপর শতভাগ বিম্বাসকে বজায় রেখে নতুন নতুন লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান তারা (লিউগেন ফ্যামিলি অফিস ) । আর নিজের সাথে সাথে এগিয়ে নিয়ে যান অন্যদেরকেও। একলা নয়, দশজনার সাথে কাজ করাটাই তাদের প্রধান ইচ্ছে। আর এই কাজের মাধ্যমেই প্রতিনিয়ত নিজের সত্যিটা আরো বেশি করে জানতে চান তারা। নিজের নেতিবাচক দিকগুলো বুঝতে চান। সেগুলো শুধরে নিয়ে হতে চান নতুন এক মানুষ।

পৃথিবীর অজানা অবাক তথ্য সমূহ - What you think about the world - Lets Know Some Wonderful Facts People Never Thought



- নারহোয়েল (Narwhal) এক প্রকার তিমি মাছ। যার দাঁত ৮ ফিট লম্বা হয়ে থাকে।
- পৃথিবীর মানুষের মোট ওজোন, পৃথিবীর পিপড়ার মোট ওজোনের সমান।

- আইসক্রিম সর্বপ্রথম চীনে তৈরী হয়েছিল, তাও খ্রীস্টের জন্মের ২০০০ বছর আগে।

- পৃথিবীর প্রথম নভোচারী কিন্তু মানুষ নয়, একটি কুকুর।

- শিম্পাঞ্জি অন্যান্য প্রাণীর চেয়ে (মানুষ ছাড়া) বেশী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারে।

- কিং কোবড়া পৃথিবীর একমাত্র সাপ যে বাসা বাধে।

- বিড়ালের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ১০০.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট থেকে ১০২.৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

- জিরাফের লম্বা গলায় মোট ৭টি হাড় আছে।

- বৃদ্ধি ও পরিস্ফুরনের সময় মানবদেহে প্রতি মিনিটে ৩০০ মিলিয়ন নতুন কোষ উৎপন্ন হয়।

- E.Coli(ই.কলি)নামক ব্যাকটিরিয়ায় ডি.এন.এ.(DNA)এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৫ কিমি।

- একজন পরিণত মানুষের দেহে কোশের সংখ্যা প্রায় ৭৫ ট্রিলিয়ন(৭৫×১০12)।

- মানুষের ডি.এন.এ.(DNA)এর মোট দৈর্ঘ্য পৃথিবী থেকে সূর্যে ৭০বার যাতায়াতের সমান।

- বৃহত্তম ক্যাকটাস সাগুয়ারো(saguaro)প্রায় ৬তলা বাড়ির সমান উঁচু।
- হাড়ের মধ্যে ৭৫% জল।

- প্রতিদিন প্রায় ৪০০ গ্যালন রক্ত কিডনির মাধ্যমে পরিস্রুত হয়।

- শ্বাস ত্যাগের পরেও ফুসফুসে ০.৫লিটার বায়ু থেকে যায়।

- সবথেকে লম্বা ঘাস হল বাঁশ।

- পায়রা অতিবেগুনি রশ্মি দেখতে পায়।

- সুপারি গাছের কান্ডের কাঠ স্টিলের চেয়ে অনেক বেশী শক্ত ও ঘাত সহ।

- মানুষের আঙ্গুলের ছাপ মস্তিস্কের থেকেও বেশী তথ্য বহন করে।

- মানুষের নখ বৃদ্ধির মধ্যে মধ্যমার নখ সবথেকে দ্রুত বাড়ে এবং বৃদ্ধাঙ্গুলির নখ সবথেকে কম বাড়ে।

- প্রজাপতির চোখের সংখ্যা ১২০০টি।

- আপেল খেতে যতই স্বাদ লাগুক, জেনে নিন, আপেলের ৮৪ ভাগই পানি।

- একটা ৬ বছরের বাচ্চা দিনে গড়ে প্রায়৩০০ বারের মতো হাসে!! আর একজন পরিপূর্ণ/ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে হাসেন গড়ে ১৫-১০০ বার!!

- এক কাপ কফিতে ১০০-এরও বেশি রাসায়নিক পদার্থ আছে।

- গরুকে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠানো যায় কিন্তু নিচে নামানো যায় না ।

- চিংড়ি শুধু পিছনের দিকে সাঁতার দিতে পারে


Sunday, March 19, 2017

আসুন জেনে নেই পৃথিবীর অমীমাংসিত রহস্যময় বারমুডা ট্রায়াঙ্গল সম্পর্কে



পৃথিবীর রহস্যময় স্থানগুলোর অন্যতম হলো বারমুডা ট্রায়াঙ্গল।
 এ কাহিনী হয়তো অনেকের জানা। কিন্তু সামপ্রতিক এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে কিছু নতুন তথ্য। রহস্যময় বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের এসব কাহিনী নিয়েই রচিত হয়েছে আজকের চিত্র-বিচিত্র।

গবেষকরা পেয়েছেন, কিছু প্রকৃতিগত ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য ছাড়া এই ট্রায়াঙ্গল অন্য সব এলাকার মতোই স্বাভাবিক। পৃথিবীর সবচাইতে অভিশপ্ত স্থানগুলোর মধ্যে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল বা ত্রিভুজকে অন্যতম মনে করা হয় সব সময়। এ পর্যন্ত এখানে যত রহস্যময় দুর্ঘটনা ঘটার কথা শোনা গেছে, অন্য কোথাও এত বেশি দুর্ঘটনা ঘটেনি কখনও। সে কারণে স্থানীয় অধিবাসীরা এই এলাকাটির নামকরণ করেছে পাপাত্মাদের ত্রিভুজ।

এই আটলান্টিক মহাসাগরে বারমুডা ত্রিভুজের অবস্থান। এ অঞ্চলটি সীমানাবদ্ধ তিনটি প্রান্ত দিয়ে। তাই এটিকে বলা হয়ে থাকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল বা বারমুডা ত্রিভুজ। এই তিনটি প্রান্তের এক প্রান্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা, একপ্রান্তে পুয়ের্টো রিকো এবং অপর প্রান্তে অবস্থিত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বারমুডা দ্বীপ।

রহস্যময় বারমুডার আয়তন ও রহস্য

বারমুডা ত্রিভুজের মোট আয়তন ১১৪ লাখ বর্গ কিলোমিটার। এটি ২৫-৪০ ডিগ্রি উত্তর আংশ এবং ৫৫-৫৮ ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। এ অঞ্চলের অনেক রহস্যময়তার একটি দিক হল, কোনও জাহাজ এই ত্রিভুজ এলাকায় প্রবেশ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই বেতার তরঙ্গ প্রেরণে একেবারেই অক্ষম হয়ে পড়ে। উপকূলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয় এবং কোন একসময় দিক নির্ণয় করতে না পেরে রহস্যজনকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়।

মার্কিন নেভির সূত্র বলেছে, গত ২শ’ বছরে এ এলাকায় কমপক্ষে ৫০টি বাণিজ্যিক জাহাজ এবং ২০টি বিমান অদৃশ্য হয়েছে। যার কোন হদিস আজও পাওয়া যায়নি। হারিয়ে যাওয়া জাহাজের মধ্যে ১৯৬৮ সালের মে মাসে হারিয়ে যাওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক ডুবোজাহাজের ঘটনাটি সারাবিশ্বে সবচাইতে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। সেই রহস্য এখনও অনুদঘাটিত।
আরেকটি ঘটনা ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই ৫টি বোমারু বিমান প্রশিক্ষণ চলাকালীন হারিয়ে যায়। হারিয়ে যাবার আগ মুহূর্তে বৈমানিকদের একজন অতি নিম্ন বেতার তরঙ্গ পাঠাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার সেই বেতার বার্তাতে বারবার একটি শব্দই বার বার বলা হচ্ছিল, ‘সামনে প্রচণ্ড কুয়াশা। আমরা কিছু দেখতে পাচ্ছি না। কোথায় যাচ্ছি তাও বুঝতে পারছি না। আমাদের উদ্ধার করো।’ জানা যায়, এ বার্তা পাওয়ার পরপরই মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি উদ্ধারকারী টিম এ অঞ্চলের দিকে রওনা হয়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো কিছুক্ষণ পরে উদ্ধারকারী টিমও নিখোঁজ হয়ে যায়।

ঠিক এভাবেই ওই এলাকায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫শ’ লোক প্রাণ হারিয়েছে বলে মনে করা হয়। সবচাইতে আশ্চর্যের বিষয় হল, হারিয়ে যাওয়া এসব যানগুলোর কোনও ধ্বংসাবশেষ পরবর্তীকালে অনেক খুঁজেও পায়নি কেও। এর রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন সময়ে বেতার তরঙ্গের অনুপস্থিতির কথা বলা হলেও কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। মার্কিন সামরিক বাহিনী এ এলাকায় বেশ কিছু গবেষণা চালিয়েও তেমন কোনও তথ্য উদ্ধার করতে পারেনি।

তবে এই রহস্যজনক এলাকা নিয়ে যারা গবেষণা করছেন দীর্ঘদিন ধরে তাদের মতে, নাবিকদের ভাষ্য অনুযায়ী এ এলাকায় মাঝে মাঝে বেতার তরঙ্গ হারিয়ে যায় ঠিকই, কিন্তু সবসময়ের জন্য নয়। কারণ পৃথিবীর কোনও এলাকায় স্বাভাবিক বেতার তরঙ্গের প্রবাহ হারিয়ে যেতে বা নিশ্চিহ্ন হতে পারে এমনটি নয়। তাহলে তো সারা পৃথিবীর বেতার সিস্টেমই ধ্বংস হয়ে যেতো। অবশ্য গবেষকরা হারিয়ে যাওয়া পক্ষে বেশ কিছু তথ্য প্রমাণও দিয়েছেন। যানের ধ্বংসাবশেষ না পাওয়ার যে ব্যাখ্যাটি দিয়েছেন তা হলো, আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে একটি অন্যতম গভীর স্থান হচ্ছে এই রহস্যময় বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। এমনকি আধুনিক ও প্রশিক্ষিত ডুবুরি সরঞ্জাম দিয়ে এই অঞ্চলে উদ্ধার কাজ চালানো কখনও সম্ভব নয়। স্যাটেলাইট প্রযুক্তির বদৌলতে ধ্বংসাবশেষ কোথায় আছে তা জানা সম্ভব হতে পারে কিন্তু সেগুলো উদ্ধার করা বড়ই কঠিন- অন্তত গবেষকরা এমনটা মনে করেন। ফলে এ এলাকায় নিখোঁজ কোনও ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যাওয়া সম্ভাবনা একেবারেই নাই। বারমুডা রহস্য মানুষের মধ্যে এখনও রয়েছে- হয়তো ভবিষ্যতেও থাকবে।