Tuesday, March 21, 2017

ভালো স্মার্টফোন চেনার উপায়- how to identity a best smartphone

স্মার্টফোন হঠাৎ কিনে ফেললেই হলো না। অনেক কিছু দেখে-শুনে-বুঝে তবেই কেনা উচিত ফোন। তা ছাড়া আপনি ঠিক কীভাবে ফোনটি ব্যবহার করবেন তার ওপরও নির্ভর করে স্ক্রিন সাইজ, র‌্যাম এবং ডিসপ্লে কেমন হবে। ফোন কেনার আগে মাথায় রাখবেন এই টিপসগুলো :

১. যদি বাজেট অনেকটা বেশি থাকে, আইফোন কেনাই ভালো। তবে সস্তাদামের সেকেন্ডহ্যান্ড বা অনেক পুরনো ভার্সনের নয়। আপডেটেড ভার্সনের দাম অনেক। অত টাকা পকেটে না থাকলে অ্যানড্রয়েড কিনুন।
২. ব্ল্যাকবেরি যে কিনবেন না তা আর নিশ্চয়ই নতুন করে বলতে হবে না। ঠিক তেমনই উইনডোজ ফোন কেনার আগে দুইবার ভাববেন। প্রথমত, মাইক্রোসফট স্টোরে বেশি অ্যাপ থাকে না আর যদি শুধু ফোন করা আর ফোন ধরার জন্যেই ফোন কিনতে হয় তবে আর দামি স্মার্টফোন কেন, সাধারণ ফোন কেনাই ভালো।
৩. ফোন কেনার আগে সবচেয়ে প্রথমে যেটি দেখবেন সেটি হলো প্রসেসর। ভালো প্রসেসর মানেই ফোন হবে সুপারফাস্ট, গেম খেলার সময়ে ফোন হ্যাং করবেন না এবং ফটো এডিটিং হবে তাড়াতাড়ি। স্ন্যাপড্র্যাগন ৬০০ সিরিজের প্রসেসর থাকে মাঝারি রেঞ্জের ফোনে কিন্তু সবচেয়ে ভালো হলো কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ এবং ৮১০ প্রসেসর। আইফোনের ক্ষেত্রে ৬৪ বিট, এ৯ চিপ হলো বেস্ট যা রয়েছে আইফোন সিক্সে।
৪. ভারতে এখন ফোরজি ডেটা কানেকশন এসে গিয়েছে তাই এখন নতুন ফোন কিনলে ফোরজি সাপোর্ট করবে এমন ফোন কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ।
৫. র‌্যাম হলো আর একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি পকেটের জোর থাকে তবে ৪ জিবি র‌্যামের ফোন কেনাই ভালো। নাহলে অন্তত ২ জিবি র‌্যাম যেন থাকে। কারণ এখন মাঝারি রেঞ্জের সব ফোনেই ২ জিবি র‌্যাম থাকে এমনকী আইফোন সিক্সেও তাই।
৬. র‌্যাম, ফোরজি, প্রসেসরের পরই দেখবেন ডিসপ্লে। চেষ্টা করবেন অ্যামোলেড ডিসপ্লের ফোন কিনতে। চড়া রোদে দাঁড়ালেও পরিষ্কার দেখতে পাবেন স্ক্রিন। কোয়াড এইচডি ২৫৬০x১৪৪০ পিক্সেলের ফোনগুলির দাম অনেক বেশি। মাঝারি রেঞ্জের ফোন কিনলে রেজিলিউশন যেন অন্ততপক্ষে ১২৮০x৭২০ পিক্সেল হয়।

৭. এর পরই দেখবেন স্টোরেজ কেমন। কখনো এক্সপ্যান্ডেবল স্টোরেজ নেই এমন ফোন কিনবেন না। যাঁরা স্মার্টফোন ঠিকঠাক ব্যবহার করতে পারেন, তাঁরা প্রচুর অ্যাপ ডাউনলোড করেন। এর জন্য অনেকটা স্টোরেজ স্পেস লাগে। যাতে প্রয়োজনে মাইক্রো-এসডি কার্ড ব্যবহার করতে পারেন, সেই অপশনটি খোলা রাখবেন। অন্ততপক্ষে ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমরি আছে এমন ফোনই কিনবেন।
৮. ফ্রন্ট ক্যামেরা নেই এবং এলইডি ফ্ল্যাশ নেই এমন ফোন না কেনাই ভালো। এখন মাঝারি রেঞ্জের ফোনে স্ট্যান্ডার্ড ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা থাকে। আইফোন সিক্সএস প্লাস, গ্যালাক্সি এস৭, গ্যালাক্সি এস৭ এজ, এইচটিসি ১০-এর ক্যামেরা খুবই ভালো। আরও মজার এলজি জি৫। এতে দুই রকমের রিয়ার ক্যামেরা সেটিং রয়েছে। একটি সাধারণ এবং অন্যটি ওয়াইড অ্যাঙ্গেল শুটের জন্য।
৯. ব্যাটারি লাইফ হলো আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একবার ফুলচার্জ দেওয়ার পর যে সমস্ত ফোরজি ফোনে টানা ৮ ঘণ্টা নেট সার্ফিং করা যায়, সেই ফোনই সবচেয়ে ভালো। ব্যাটারি লাইফ গড়ে ৩০০০ এমএএইচ হলেই ভালো। মাঝারি রেঞ্জের ফোনে ২৫০০ এমএএইচ-এর কম ব্যাটারি লাইফের ফোন না কেনাই ভালো।

১০. ওয়াই-ফাই সব স্মার্টফোনেই থাকে। চেষ্টা করবেন ব্লু-টুথ ৩.০ রয়েছে এমন ফোন কিনতে কারণ এই ভার্সনটি থাকলে স্মার্টওয়াচের সঙ্গে মোবাইলটি কানেক্ট করা যায়। তা ছাড়া জিপিএস রয়েছে এমন ফোন কেনাই ভালো যাতে ফোন হারিয়ে গেলে ট্র্যাক করতে সুবিধা হয়। আর যদি ম্যাগনেটোমিটার সেন্সর থাকে তবে স্মার্টফোন কম্পাসেরও কাজ করবে।
১১. ডলবি অ্যাটমোস সারাউন্ড সাউন্ড এখন স্মার্টফোনের অন্যতম লেটেস্ট ফিচার। লেনোভোর সাম্প্রতিক প্রায় সব ফোনেই এই ফিচার রয়েছে। যাঁরা ফোনে ভিডিও দেখেন, গান শোনেন বা সিনেমা দেখেন তাঁরা ডলবি স্পিকার রয়েছে এমন ফোনসেট কিনলেই ভালো।
১২. ফিঙ্গারপ্রিন্ট সিকিউরিটি, শ্যাটারপ্রুফ, স্ক্র্যাচ-প্রুফ স্ক্রিন, গোরিলা গ্লাস, ওয়াটারপ্রুফ, এনএফসি ট্যাগ এই সবকিছু অত্যাধুনিক স্মার্টফোন ফিচার্স। বাজেট যত বাড়বে, ততই এই সবকিছু যোগ হবে ফোনের ফিচারে। যদি অ্যাফর্ড করতে পারেন তবে এই সমস্ত সুবিধা রয়েছে এমন ফোনই কিনবেন। আবার অনেক বাজেট স্মার্টফোনেও এগুলির মধ্যে একটি দুটি পাওয়া যায়।

ঘুমানোর সময় মোবাইল কাছে রাখলে যে মারাক্তক ক্ষতি হয়



অনেকেই ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন বন্ধ করেন না৷ অ্যালার্ম দিয়ে ফোনকে বালিশের নিচে বা পাশে রাখার অভ্যাস রয়েছে অনেকের৷ অনেকেই আবার ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোনটি সঙ্গী করে ঘুমান।যারা এ কাজ করেন তারা ঘুমানোর আগে বালিশের পাশে কিংবা বিছানার ওপর না রেখে কিছু দূরে কোনো কিছুর ওপরে ফোনটি রাখুন। এতে ফোনের রেডিয়েশন থেকে ঘুম নষ্ট হবে না। যখন অ্যালার্ম বাজবে তখন আপনাকে উঠে গিয়ে ফোন বন্ধ করতে হবে। তাই অলসতা সহজেই কেটে যাবে।
মোবাইল ফোন বালিশের পাশে না রেখে কিছুটা দূরে সরিয়ে রাখলে ঘুম ভালো হয়। বালিশের পাশে বা নিচে পড়ে থাকা ফোনটিতে কল এলে আচমকা ঘুম ভেঙে যায়। বিছানায় ফোন সঙ্গী করে ঘুমানোর এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসটি থেকে মুক্তি পেতে এবং শান্তিমতো ঘুমাতে বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা ফোন পাশে রেখে ঘুমান, আগে সেটা বন্ধ করতে হবে। ফোন থেকে নীল রঙের যে আলো নির্গত হয় তা মস্তিষ্ককে জাগিয়ে রাখে বলে ঘুম নষ্ট হয়। যদিও কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা ট্যাব থেকেও এ ধরনের আলো নির্গত হয় কিন্তু ঘুমানোর আগে আপনার ছোট স্মার্টফোনটির ব্যবহারে ক্ষতি বেশি হয়।
মোবাইল থেকে নির্গত রেডিয়েশনে ক্যানসার বা এ-জাতীয় কোনো সমস্যা সৃষ্টির বিষয়ে গবেষকেরা নির্দিষ্ট উপসংহারে পৌঁছাননি। তবে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ফোনের এই রেডিয়েশনের কারণে ঘুম চক্র নষ্ট হয়।

গান শুনতে শুনতে ঘুম
অনেকেই মোবাইল ফোনে গান চালিয়ে তা শুনতে শুনতে ঘুমান। দেখা যায়, মোবাইল ফোনের সঙ্গে হেডফোন লাগিয়ে তা কানে দিয়ে ঘুমানোর আগে গান চালান অনেকেই। অনেকেই ফেসবুক চালাতে চালাতে ফোন চালু রেখেই ঘুমিয়ে যান। আবার অনেকেই ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মেইল ব্যবহার করেন বা গেম খেলেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের অভ্যাস ঘুমানোর জন্য মোটেও ভালো নয়। এতে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে। আপনার ফোন ব্যবহার সীমিত করুন।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফোন নিয়ে যাবেন না। হাতের কাছে ফোন থাকলে তা বারবার ব্যবহার করার আগ্রহ বাড়বে। আপনার ফোন রাখার জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা বরাদ্দ রাখুন। যেখানে চার্জার, হেডফোন বা অন্যান্য টুকিটাকি দরকারি জিনিসপত্র রাখেন, আপনার মোবাইল ফোনটিও সেখানেই রেখে দিতে পারেন। যাতে মস্তিষ্ক কিছুতেই বিক্ষিপ্ত না হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফোন ও মস্তিষ্কের মধ্যে অল্প তফাৎ থাকলে তা ঘুমের পরিমাণ ও ঘুমের মান দু’য়ের ওপরেই প্রভাব ফেলে৷ ফোন কাছে নিয়ে শুলে তা আমাদের স্নায়ুকে উত্তেজিত রাখে৷ অবচেতনে আমরা পরের ফোন অথবা ম্যাসেজের জন্য অপেক্ষা করে থাকি, যা আমাদের বেশিক্ষণ চোখ বন্ধ করে রাখতে দেয় না৷ রাতের অন্ধকারে ফোনের স্ক্রিনের আলো মানুষের চোখের রেটিনার পক্ষে ক্ষতিকারক৷ এই আলোই আমাদের মস্তিষ্ককে জানান দেয় ফোন অথবা ম্যাসেজ আসার প্রাথমিক খবর৷ এই আলো তন্দ্রার জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনকে নিঃসরণ হতে বাধা দেয়৷

RIDMIK KEYBOARD ব্যবহার করার নিয়ম- how to use ridmik keyboard


আপনারা যারা এন্ড্রয়েড ইউজার তারা রিদমিক
কিবোর্ডের নাম শুনে থাকবেন । অনেকেই আমরা মোবাইলে বাংলা টাইপিং করতে অভ্যস্ত নই । এর অন্যতম কারন হচ্ছে মোবাইলে বাংলা টাইপিং খুব একটা ফ্রেন্ডলি না । স্পেশিয়ালি এন্ড্রয়েড ইউজারদের কাছে ।

যাই হোক আজকে কিছু নিয়মাবলী দিচ্ছি ।এ গুলোর সাহায্যে আপনারাও পারবেন মনের মত বাংলা লিখতে ।

চন্দ্রবিন্দু লিখুন qq দিয়েঃ
চাঁদ = caqqd
ছোঁয়া = chOqqya
ৎ লিখুন TH দিয়েঃ
হটাৎ = hoTaTH
হসন্ত লিখুন hs দিয়েঃ
আল্লাহ্‌ = allahhs
ং লিখতে ng, ঙ লিখতে Ng এবং ঞ লিখতে NG ব্যবহার করুনঃ
বাংলা = bangla
অঙ্গ = oNggo
মিঞা = miNGa
ব-ফলা লেখা যাবে w দিয়েঃ
শ্বাশ্বত = SwaSwoto/SwaSwt
য-ফলা লিখতে y, z অথবা Z ব্যবহার করুন ( স্বরবর্ণের পরে য-ফলা দিন Z দিয়ে) ঃ
ব্যবহার = bybohar/bzbohar/bZbohar
অ্যানিমেশন = oZanimeSon
ঋ অথবা ঋ-কার লিখতে rri ব্যবহার করুনঃ
ঋণ = rriN
বৃত্ত = brritto
রেফ লিখুন (vowel) + rr + (consonant) দিয়েঃ
কর্ম = korrmo
উর্দি = urrdi
নির্মল = nirrmol
কিছু বিশেষ যুক্তাক্ষরঃ
ক্ষ = kkh অথবা kSh
ক্ষ্ণ = kkhN (ক্ষ + ণ = kkh + N)
জ্ঞ = gg
ঞ্চ = NGc ( ঞ + চ = NG + c)
ষ্ণ = ShN ( ষ + ণ = Sh + N)
হ্ম = hm
ঞ্জ = nj
ঞ্চ = nc

আরো কিছু উদাহরণঃ

লক্ষ্ণৌ = lokkhNOU
কর্তৃত্ব = korrtrritw
শিক্ষা = shikSha/shikkha
ছাত্র = chatro
বৈষ্ণব = bOIShNb
সমুদ্র = somudro
রিদ্মিক = ridmik
ব্রহ্মপুত্র = brohmputro
ময়মনসিংহ = moymonosingoh
শম্ভূগঞ্জ = shomvUgonj

Monday, March 20, 2017

কিভাবে মোবাইলে কম্পিউটারে মত করে মাউস ব্যবহার করতে পারেন...


আমরা কম্পিউটারে যে মাউস ব্যবহার করি তা যদি আমাদের মোবাইলে ব্যবহার করতে করতে পারি তাহলে কেমন হবে ? এখন বর্তমানে যে হাই কোয়ালিটির মোবাইল গুলা আসতেছে তার মধ্যে চাইলেই আপনি কম্পিউটারের মত করে মাউস ব্যবহার করতে পারেন।
মাউস ব্যবহার করার অন্যতম সুবিধা হল মোবাইলের স্ক্রিনের উপর প্রেসার কমবে আর আপনার হাতের আঙুলের উপরও প্রেসার কমবে। কিভাবে মোবাইলে মাউস ব্যবহার করবেন চলুন দেখে নেয়া যাক।
 এর জন্য শর্ত ২ টিঃ

১। আপনার মাউস হতে হবে USB মাউস।
২। আপনার ফোন OTG supported হতে হবে।
এর জন্য যা লাগবেঃ
১। মোবাইল।
২। OTG কেবল।
৩। মাউস।
প্রথমে আপনার মাউসটিকে OTG কেবলের সাথে যুক্ত করুন, তারপর মোবাইলেত চার্জিং পয়েন্টে OTG কেবলের অন্য প্রান্ত যুক্ত করুন। তারপর দেখুন আপনার ফোনের স্ক্রিনে মাউস পয়েন্টার শো করছে। কানেক্ট করার পর কয়েক সেকেন্ড সময় লাগতে পারে। এখন মজায় মজায় মোবাইল ব্যবহার করুন মাউস দিয়ে। বিশেষ করে ট্যাব এ ব্যবহার করতে বেশি মজা।

কিভাবে ব্যাটারির চার্জ এর অপচয় রোধ করবেন- use of battery calibration



এন্ড্রয়েড এর সেটিংস মেনুতে ব্যাটারি পরিসংখ্যান সূচক আছে। এই বৈশিষ্ট্য অপারেটিং সিস্টেম কে ডিভাইসের বর্তমান ব্যাটারি স্তর বা অবস্থা সম্পর্কে নজর রাখার অনুমতি দেয়। ব্যাটারি ক্যালিব্রেটেড না হলে কখনও কখনও এটা ভুল ব্যাটারি পরিসংখ্যান ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেমে পাঠাতে পারে, যা ভুল ব্যাটারি স্তর সনাক্তকরণের কারনে। ফলে ব্যাটারি স্তর পর্যাপ্ত থাকার পরও অপারেটিং সিস্টেম ডিভাইস বন্ধ করে দিতে পারে। এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা ব্যাটারি ক্যালিব্রেশনের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। উল্লেখ্য কিছু ডিভাইসের ক্ষেত্রে দেখাযায় হঠাৎ করে ব্যাটারি স্তর xx% থেকে zz% হয়ে যায়। তার প্রধান কারন হলো “batterystats” ফাইলটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। এটি অনেক কারনে হতে পারে। তাই আজ এই ধরনের সমস্যা গুলি সামাধানের চেষ্টা করব এই আলোচনায়। তাহলে চলুন চেষ্টা করে দেখাযাক –

নন-রুটেড ডিভাইসের জন্যেঃ
যদিও নন-রুটেড ডিভাইসের জন্যে বেশকিছু অ্যাপ আছে যা দিয়ে ব্যাটারি ক্যালিব্রেশন করতে পারেন কিন্তু কিছু সমস্যাও আছে তাতে। তাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলো –

১। ডিভাইস চালু করে/অবস্থায় ব্যাটারি লেভেল ফুল (১০০%) হওয়া পর্যন্ত চার্জ দিন এবং পরবর্তী এক ঘণ্টা চার্জে সংযুক্ত রাখুন
২। ডিভাইস চার্জার থেকে বিচ্ছিন্ন করে সাথে সাথে পাওয়ার অফ বা বন্ধ করুন
৩। ডিভাইস বন্ধ অবস্থায় এক ঘণ্টা চার্জে সংযুক্ত রাখুন
৪। চার্জার যুক্ত অবস্থায় ডিভাইস পাওয়ার অন বা চালু করুন এবং এক ঘণ্টা চার্জে সংযুক্ত রাখুন
৫। ডিভাইস চার্জার থেকে বিচ্ছিন্ন করে সাথে সাথে পাওয়ার অফ বা বন্ধ করুন
৬। ডিভাইস বন্ধ অবস্থায় এক ঘণ্টা চার্জে সংযুক্ত রাখুন
৭। এখন ডিভাইস চার্জার থেকে বিচ্ছিন্ন করে সাধারন ভাবে ব্যাবহার করুন যতক্ষণ না ব্যাটারি সম্পূর্ণ শেষ হচ্ছে। পরবর্তী বার যখন চার্জ দিবেন তখন ১০০% হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
৮। কাজ শেষ! এবার অপারেটিং সিস্টেম ডিভাইসের ব্যাটারির সম্পর্কে একটা ভালো ধারনা পাবে, যার ফলে আগামীতে যে পরিসংখ্যান দিবে তা সঠিক ভাবে দিবে।

রুটেড ডিভাইসের জন্যেঃ
পদ্ধতি একঃ

প্রথমে প্লে-স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিনঃ Battery Calibration
১। অ্যাপটি চালু করে “Super User” অনুমতি দিন
২। অ্যাপটি চালু অবস্থায় ব্যাটারি লেভেল ফুল (১০০%) হওয়া পর্যন্ত চার্জ দিন
৩। ব্যাটারি লেভেল ফুল (১০০%) হওয়ার সাথে সাথে “Calibrate / Battery Calibration” অপশনে ক্লিক করুন
৪। এখন ডিভাইস চার্জার থেকে বিচ্ছিন্ন করুন
৫। এটি শেষ হলে অবশ্যই ডিভাইস ফুল চার্জ দিতে হবে। কাজ শেষ!

পদ্ধতি দুইঃ
যদি উপরের পদ্ধতি আপনার জন্যে কাজ না করে তাহলে এই পদ্ধতিটি চেষ্টা করে দেখুন। এই পদ্ধতিটি ব্যাবহার করতে ডিভাইসে একটি কার্যকরী রিকভারি ইন্সটল থাকতে হবে
১। ডিভাইস রিকভারি মুডে বুট করে Advanced > wipe battery stats পরিচালনা করুন
২। এখন ব্যাটারি সম্পূর্ণ শেষ করে ডিভাইস বন্ধ অবস্থায় ফুল চার্জ দিতে হবে (চার্জ অবস্থায় সংযোগ বিচ্ছিন করা যাবেনা, তাই বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করুন)
৩। চার্জ ১০০% হলে চার্জার থেকে বিচ্ছিন্ন না করে ডিভাইস চালু করুন এবং উপরের অ্যাপটি চালু করুন “Battery Calibration” বাটনে ক্লিক করুন
৪। কিছু সময় পরে “battery calibration has been succeeded” বার্তা দেখাবে এবার OK বাটনে ক্লিক করে ডিভাইস থেকে চার্জার বিচ্ছিন্ন করে অ্যাপটি বন্ধ করে দিন। কাজ শেষ!

পদ্ধতি তিনঃ
১। Root Explorer (বা অন্য যে কোন ফাইল ম্যানেজার যা Root directories ব্যাবহার করতে পারে) ফাইল ম্যানেজার চালু করুন
২। “/data/system” ফোল্ডারে গিয়ে “batterystats.bin” ফাইলটি খুঁজে বের করুন
৩। ফাইলটি ডিলিট করে দিন
৪। ডিভাইস রিবুট করে ব্যাটারি সম্পূর্ণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন
৫। ডিভাইস বন্ধ অবস্থায় ফুল চার্জ দিতে হবে (চার্জ অবস্থায় সংযোগ বিচ্ছিন করা যাবেনা, তাই বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করুন)
৬। চার্জ ১০০% হলে চার্জার থেকে বিচ্ছিন্ন না করে ডিভাইস চালু করুন এবং উপরের অ্যাপটি চালু করুন “Battery Calibration” বাটনে ক্লিক করুন
৭। কিছু সময় পরে “battery calibration has been succeeded” বার্তা দেখাবে এবার OK বাটনে ক্লিক করে ডিভাইস থেকে চার্জার বিচ্ছিন্ন করে অ্যাপটি বন্ধ করে দিন। কাজ শেষ!