Saturday, August 19, 2017

জেনে নিন গাজরের অবিশ্বাস্য গুণাগুণ


১) গাজর ক্ষুধা বাড়ায় এবং সহজে হজম হয়।
.
২) গাজরে প্রচুর ভিটামিন এ, বি ও সি আছে।
.
৩) গাজর খেলে শরীর নরম ও সুন্দর হয়।
.
৪) গাজর শরীরের শক্তি বাড়ায় এবং ওজন বাড়ে।
.
৫) গাজরে ক্যারোটিন আছে প্রচুর পরিমাণ।
.'
৬) শরীরের পুষ্টি এবং বুদ্ধির বিকাশে গাজর উপকারী।

৭) গাজর খেলে রঙ ফর্সা হয়, মুখের সৌন্দর্য বাড়ে।
কারণ গাজরে আছে রক্ত পরিষ্কার করার গুণ।
.
৮) গাজরে ফসফরাস থাকার জন্য যারা মাথার কাজ করেন তাদের পক্ষে গাজর ও গাজরের শাক খুব উপকারী।
.
৯) গাজর শরীরের জ্বালা ও পেট ফাঁপা দূর করে।

* ৬ টি স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস


জেনে রাখা ভালো

• সর্বদা বাম কানে ফোন রিসিভ করুন।

• ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঔষধ খাবেন না ।

• বিকেল ৫টার পর ভারী খাবার খাবেন না (বিশেষ করে দুপরের খাবার) ।

• পানি সকালে বেশি পান করুন,
রাতে তুলনামূলক কম ।

• ঔষধ খাওয়ার সাথে সাথেই শুয়ে পড়বেন না।

• ফোনের ব্যাটারি যখন এক দাগ তখন ফোন রিসিভ না করাই ভালো, কারন তখন ফোনের
রেডিয়শন ১০০০ গুন বেশি শক্তিশালী হয় !!

Friday, August 18, 2017

চামড়াসহ মুরগি স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী?


মুরগির গোস্ত অনেকেরই পছন্দ। তবে চামড়াসহ খেতে বললে, দশ হাত দূরে যাওয়ার লোকের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু এত ঘৃণা নিয়ে যা ফেলে দিচ্ছেন, তার গুণাগুণ কিন্তু অনেক। জানেন কি?
না জানলে জেনে রাখুন, এ নিয়ে দীর্ঘ সমীক্ষা বলছে শরীরের জন্য উপকারী মুরগির চামড়া। একথা সত্যি যে, মুরগির চমাড়ায় জমে থাকে প্রচুর ফ্যাট। তবে এতে জমে থাকা ফ্যাটের অনেকটাই অসম্পৃক্ত চর্বি, যা শরীরের পক্ষে উপকারী।
হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথের রিপোর্ট অনুযায়ী, চিকেন স্কিন বা চমাড়ায় লুকিয়ে অসম্পৃক্ত চর্বির ভাণ্ডার। কোলেস্টেরল কমানো কিংবা ব্লাড প্রেশার লেভেল স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রয়েছে অসম্পৃক্ত চর্বির। হার্ট সুস্থ রাখতেও উপযোগী অসম্পৃক্ত চর্বি।
মুরগির চামড়ায় থাকে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। সঠিক পরিমাণে শরীরে গেলে যা বহু রোগের ওষুধ।
সমীক্ষা রিপোর্টে প্রকাশ, এক আউন্স বা ২৮.২৫ গ্রাম চিকেনের চামাড়য় মাত্র তিন গ্রাম সম্পৃক্ত চর্বি থাকে যা ফ্যাট বাড়ায়, তুলনায় অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ প্রায় ৮ গ্রাম, যা দেহের পক্ষে উপকারী।
তবে হ্যাঁ, অবশ্যই মাত্রাতিরিক্ত নয়, চামড়াসহ মুরগি খেলেও তা মেপে খাওয়া জরুরি। চামড়া রান্না করা মুরগি রসনাতৃপ্তিতেও তুলনাহীন। এখন কীভাবে তা রান্না করা হবে, সেই বিষয়েও নজর দেয়া দরকার।
ঝাল-মশলা মাখিয়ে, ডোবা তেলে ভেজে রান্না করা চিকেন থেকে কিন্তু মোটেই কোনো খাদ্যগুণ মিলবে না।

এই ৫টি ভিটামিন সব নারীদের গ্রহণ করা উচিত


আধুনিক নারীদের বাইরের কাজের পাশাপাশি ঘরেও কাজ করতে হয়। ব্যস্ত এই জীবনে এত কাজের ভিড়ে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে ঠিকমত খেয়াল রাখতে পারেন না অনেক নারীরাই। আবার স্বাস্থ্যসচেতন নারীরা স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলতে পছন্দ করেন।

তবে কিছু ভিটামিন অব্যশই ডায়েট চার্টে থাকা উচিত। এই ভিটামিনগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে নানা শারীরিক সমস্যা সমাধান করে থাকে।

১। ভিটামিন এ

সব বয়সী নারীদের জন্য ভিটামিন এ প্রয়োজনীয়। এটি হাড়, দাঁত মজবুত করে। এর সাথে টিস্যু , ত্বক এবং পেশী মজবুত করে থাকে।

নিয়মিত গ্রহণে ভিটামিন এ দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতার ঝুঁকি কমায়, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়, বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে। টমেটো, তরমুজ, পেয়ারা, ব্রকলি, পেঁপে, দুধ, কলিজা ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে।

২। ভিটামিন ডি

ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং মিনারেল সমৃদ্ধ ভিটামিন ডি সামুদ্রিক মাছ, ফ্যাটি ফিশ, ডিম, দুধ ইত্যাদি খাবারে রয়েছে। এটি পিএমএসের লক্ষণ কমিয়ে দেয়। নিয়মিত সূর্যের আলোর সংস্পর্শে থাকা হাড়ের সমস্যা অস্টিওপরোসিস রোধ করে।

৩। ভিটামিন বি

ভিটামিন বি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেয় এমনটি বলেন Mary Ellen Camire, University of Maine এর পুষ্টিবিদ। বি৬ লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি করে। ভিটামিন বি৯ ফলিক এসিড নামে পরিচিত যা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডিপ্রেশন, ক্যান্সার ও মেমোরি লস প্রতিরোধ করে।

ভিটামিন বি৬ ডিপ্রেশন, হৃদরোগ এবং স্মৃতি হারানোর সমস্যা কমতে সাহায্য করে। মাছ, মাংস, বিনস, সবজি, ওটমিল ফল ইত্যাদি ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার। প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন বি১২, ভিটামিন বি৯ ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি৭ ইত্যাদি খাবার রাখা প্রয়োজন।

৪। ভিটামিন ই

বয়স বৃদ্ধি রোধ, হার্ট সুস্থ রাখা, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ত্বক এবং চুল সুস্থ রাখতে ভিটামিন ই অপরিহার্য। বাদাম, কর্ লিভার অয়েল, পালং শাক, সানফ্লাওয়ার সিডস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই রয়েছে।

৫। ভিটামিন সি

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন সি বেশ উপকারী। এটি দেহের অভ্যন্তরীণ টিস্যুর উন্নতি করে, বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। কমলা, আঙ্গুর, জাম্বুরা, স্ট্রবেরি, ব্রকলি ইত্যাদি খাবারে ভিটামিন সি রয়েছে।

সুস্থ থাকার টিপসঃ এক গ্লাস পানি।



১. এক গ্লাস পানি ঘুম থেকে উঠার সাথে
সাথে যদি আপনি পান করেন, তবে শরীরের
সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সক্রিয় হয়ে যায়।
-
২. এক গ্লাস পানি যদি আপনি খাবার
খাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে পান করেন তবে
এটা খাবার হজমে সাহায্য করবে বেশি।
-
৩. এক গ্লাস পানি গোসলের আগমুহূর্তে
আপনি পান
করলে এটা আপনাকে উচ্চ রক্তচাপ থেকে
বাঁচাতে সাহায্য করবে।
-
৪. এক গ্লাস পানি ঘুমাতে যাওয়ার আগ
মুহূর্তে যদি পান করেন তবে আপনাকে হৃদরোগ
এবং হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে সাহায্য
করবে।