Friday, August 18, 2017

চামড়াসহ মুরগি স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী?


মুরগির গোস্ত অনেকেরই পছন্দ। তবে চামড়াসহ খেতে বললে, দশ হাত দূরে যাওয়ার লোকের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু এত ঘৃণা নিয়ে যা ফেলে দিচ্ছেন, তার গুণাগুণ কিন্তু অনেক। জানেন কি?
না জানলে জেনে রাখুন, এ নিয়ে দীর্ঘ সমীক্ষা বলছে শরীরের জন্য উপকারী মুরগির চামড়া। একথা সত্যি যে, মুরগির চমাড়ায় জমে থাকে প্রচুর ফ্যাট। তবে এতে জমে থাকা ফ্যাটের অনেকটাই অসম্পৃক্ত চর্বি, যা শরীরের পক্ষে উপকারী।
হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথের রিপোর্ট অনুযায়ী, চিকেন স্কিন বা চমাড়ায় লুকিয়ে অসম্পৃক্ত চর্বির ভাণ্ডার। কোলেস্টেরল কমানো কিংবা ব্লাড প্রেশার লেভেল স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রয়েছে অসম্পৃক্ত চর্বির। হার্ট সুস্থ রাখতেও উপযোগী অসম্পৃক্ত চর্বি।
মুরগির চামড়ায় থাকে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। সঠিক পরিমাণে শরীরে গেলে যা বহু রোগের ওষুধ।
সমীক্ষা রিপোর্টে প্রকাশ, এক আউন্স বা ২৮.২৫ গ্রাম চিকেনের চামাড়য় মাত্র তিন গ্রাম সম্পৃক্ত চর্বি থাকে যা ফ্যাট বাড়ায়, তুলনায় অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ প্রায় ৮ গ্রাম, যা দেহের পক্ষে উপকারী।
তবে হ্যাঁ, অবশ্যই মাত্রাতিরিক্ত নয়, চামড়াসহ মুরগি খেলেও তা মেপে খাওয়া জরুরি। চামড়া রান্না করা মুরগি রসনাতৃপ্তিতেও তুলনাহীন। এখন কীভাবে তা রান্না করা হবে, সেই বিষয়েও নজর দেয়া দরকার।
ঝাল-মশলা মাখিয়ে, ডোবা তেলে ভেজে রান্না করা চিকেন থেকে কিন্তু মোটেই কোনো খাদ্যগুণ মিলবে না।

এই ৫টি ভিটামিন সব নারীদের গ্রহণ করা উচিত


আধুনিক নারীদের বাইরের কাজের পাশাপাশি ঘরেও কাজ করতে হয়। ব্যস্ত এই জীবনে এত কাজের ভিড়ে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে ঠিকমত খেয়াল রাখতে পারেন না অনেক নারীরাই। আবার স্বাস্থ্যসচেতন নারীরা স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলতে পছন্দ করেন।

তবে কিছু ভিটামিন অব্যশই ডায়েট চার্টে থাকা উচিত। এই ভিটামিনগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে নানা শারীরিক সমস্যা সমাধান করে থাকে।

১। ভিটামিন এ

সব বয়সী নারীদের জন্য ভিটামিন এ প্রয়োজনীয়। এটি হাড়, দাঁত মজবুত করে। এর সাথে টিস্যু , ত্বক এবং পেশী মজবুত করে থাকে।

নিয়মিত গ্রহণে ভিটামিন এ দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতার ঝুঁকি কমায়, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়, বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে। টমেটো, তরমুজ, পেয়ারা, ব্রকলি, পেঁপে, দুধ, কলিজা ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে।

২। ভিটামিন ডি

ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং মিনারেল সমৃদ্ধ ভিটামিন ডি সামুদ্রিক মাছ, ফ্যাটি ফিশ, ডিম, দুধ ইত্যাদি খাবারে রয়েছে। এটি পিএমএসের লক্ষণ কমিয়ে দেয়। নিয়মিত সূর্যের আলোর সংস্পর্শে থাকা হাড়ের সমস্যা অস্টিওপরোসিস রোধ করে।

৩। ভিটামিন বি

ভিটামিন বি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেয় এমনটি বলেন Mary Ellen Camire, University of Maine এর পুষ্টিবিদ। বি৬ লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি করে। ভিটামিন বি৯ ফলিক এসিড নামে পরিচিত যা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডিপ্রেশন, ক্যান্সার ও মেমোরি লস প্রতিরোধ করে।

ভিটামিন বি৬ ডিপ্রেশন, হৃদরোগ এবং স্মৃতি হারানোর সমস্যা কমতে সাহায্য করে। মাছ, মাংস, বিনস, সবজি, ওটমিল ফল ইত্যাদি ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার। প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন বি১২, ভিটামিন বি৯ ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি৭ ইত্যাদি খাবার রাখা প্রয়োজন।

৪। ভিটামিন ই

বয়স বৃদ্ধি রোধ, হার্ট সুস্থ রাখা, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ত্বক এবং চুল সুস্থ রাখতে ভিটামিন ই অপরিহার্য। বাদাম, কর্ লিভার অয়েল, পালং শাক, সানফ্লাওয়ার সিডস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই রয়েছে।

৫। ভিটামিন সি

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন সি বেশ উপকারী। এটি দেহের অভ্যন্তরীণ টিস্যুর উন্নতি করে, বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। কমলা, আঙ্গুর, জাম্বুরা, স্ট্রবেরি, ব্রকলি ইত্যাদি খাবারে ভিটামিন সি রয়েছে।

সুস্থ থাকার টিপসঃ এক গ্লাস পানি।



১. এক গ্লাস পানি ঘুম থেকে উঠার সাথে
সাথে যদি আপনি পান করেন, তবে শরীরের
সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সক্রিয় হয়ে যায়।
-
২. এক গ্লাস পানি যদি আপনি খাবার
খাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে পান করেন তবে
এটা খাবার হজমে সাহায্য করবে বেশি।
-
৩. এক গ্লাস পানি গোসলের আগমুহূর্তে
আপনি পান
করলে এটা আপনাকে উচ্চ রক্তচাপ থেকে
বাঁচাতে সাহায্য করবে।
-
৪. এক গ্লাস পানি ঘুমাতে যাওয়ার আগ
মুহূর্তে যদি পান করেন তবে আপনাকে হৃদরোগ
এবং হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে সাহায্য
করবে।

সারা বছরের সর্দি–কাশি থেকে মুক্তির উপায়,এখনই চেষ্টা করুন



শীত পেরিয়ে বসন্ত এসেছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়টা আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। কিছু রোগের প্রকোপ বাড়ে। বাতাসে ধুলাবালি বেশি থাকে। গাছে গাছে ফুল ফোটে, নতুন পাতা আসে। তাই ফুলের রেণু বাতাসে ভেসে বেড়ায়। এসবের মাধ্যমে অ্যালার্জির প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। বিশেষত শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের শ্বাসতন্ত্রের রোগ এ মৌসুমে বাড়ে। এসবের মধ্যে সাধারণ সর্দি-কাশি খুব বেশি দেখা যায়। তবে এই অসুখ সারাতে প্যারাসিটামলই যথেষ্ট। অ্যালার্জি হলে অ্যান্টিহিস্টামিন দরকার হয়। আদা-লেবু চা, মধু, তুলসী, কুসুম গরম পানি ভালো। গরম পানি দিয়ে গার্গল করলে স্বস্তি পাবেন। তবে কফ বা সর্দি হলুদ বা সবুজাভ হলে অথবা জ্বর সাত দিনের বেশি স্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
এ সময় ঠান্ডা পানীয় পান এবং আইসক্রিম খাওয়া শুরু হয়ে যায়। পাশাপাশি শুষ্কতা ও ধুলাবালুর প্রকোপ বাড়ে। এসবের প্রভাবে টনসিল ও সাইনাসের প্রদাহ হতে পারে। হাঁপানি ও ক্রনিক ব্রংকাইটিসের মতো শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি রোগের তীব্রতাও বাড়তে পারে। জলবসন্তেরও প্রকোপ বাড়বে এ সময়। এতে জ্বর-সর্দির পাশাপাশি ত্বকে ফোসকার মতো দানা দেখা যাবে। এই অসুখে শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হয়। গরমে অনেকেই হয়তো পথেঘাটে শরবত বা আখের রস পান করবেন। এতে কিন্তু ডায়রিয়া, আমাশয়, জন্ডিস, টাইফয়েড হতে পারে। তাই বেরোনোর সময় খাওয়ার পানি সঙ্গে বহন করাই ভালো।
এ সময়ে সুস্থতার জন্য ধুলাবালু এড়ানোর প্রয়োজনে নাক-মুখ ঢেকে রাখার পোশাক বা মাস্ক ব্যবহার করুন। যাঁদের পোলেন বা ফুলের রেণুতে অ্যালার্জি আছে, তাঁরা পার্ক, বাগান থেকে দূরে থাকুন। বিশুদ্ধ পানি পান করুন প্রচুর পরিমাণে। প্রতিদিন টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল খান, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়বে।

যে খাবারগুলো পুনরায় গরম করলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ে


এমন কিছু খাবার আছে যা নিত্যই খাওয়া হয়। যেমন-ভাত, আলু, মুরগির মাংস, পালং শাক,চা, ডিমি ও খাবার তেল। এই খাবারগুলো পুনরায় গরম করে খেলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
#ভাত
ভাত রান্না করার সময় তাতে বেসিলস সিরিয়স ব্যাক্টেরিয়া তৈরি হয়। রান্না করা ভাত ফের গরম করলে এই ব্যাক্টেরিয়া সংখ্যায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়ে ডায়েরিয়া পর্যন্ত হতে পারে।
#আলু
আলু রান্না বা সেদ্ধ করার পরে ঠাণ্ডা হওয়ার সময় তাতে বটুলিজম নামে একটি ব্যাক্টেরিয়া তৈরি হয়। ফের তা গরম করলে এই ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যাগুলি বেড়ে গিয়ে ফুড পয়জনিং পর্যন্ত হতে পারে।
#খাবার_তেল
তেল ফের গরম করে রান্নায় ব্যবহার করলে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।
#মুরগির_মাংস
মুরগির মাংস বার বার গরম করে খাওয়া উচিত নয়। কারণ মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। রান্নার পরে ফের তা গরম করলে প্রোটিনের কম্পোজিশন বদলে গিয়ে তা থেকে বদহজম হতে পারে।
#পালং_শাক
পালং শাকে অতিরিক্ত পরিমাণে নাইট্রেটস থাকে। রান্না করা পালং শাক ফের গরম করে খেলে শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন বেশি মাত্রায় ঢুকতে পারে।
#ডিম
ডিমের মধ্যেও বেশি পরিমাণে প্রোটিন এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্টস থাকে। রান্নার পরে আবার তা গরম করলে ডিম থেকে টক্সিন তৈরি হবে যা থেকে বদহজমের আশঙ্কা তৈরি হয়।
#চা
চায়ের মধ্যে ট্যানিক অ্যাসিড থাকে। তৈরি করা চা ফের গরম করে পান করলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে।