Wednesday, March 22, 2017

শশার উপকারীতা

http://bdwedding.blogspot.com/

 পানিশূন্যতা দূর করে। সারাদিন কাজের ব্যস্ততা থাকার কারণে পর্যাপ্ত পানি পান করা হয় না অনেকেরই। এই পানি ঘাটতি দূর করতে শশার তুলনা হয় না। শশায় ৯০ ভাগ পানি থাকায় শরীরের প্রয়োজনীয় পানির অভাব দূর করে শরীর সুস্থ রাখে। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত শশা খেলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তাদের জন্য খুবই উপকারী শশা। শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে শরীর ভালো রাখে, সেইসঙ্গে কিডনি থাকে সুস্থ। শশা শরীরের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। ভিটামিন ‘এ’ ‘বি’ এবং ‘সি’র চাহিদা পূরণ করে শরীরকে শক্তিশালী করে তোলে। শশার সবচেয়ে ভালো পুষ্টি পেতে হলে সবুজ শাক এবং গাজরের সঙ্গে খাওয়া ভালো। ত্বকের বন্ধু শশায় উচ্চমানের পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং সিলিকন রয়েছে, যা ত্বকের জন্য খুবই ভালো। শশা নখ ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়। চুল তাড়াতাড়ি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। হজমে সহায়তা করে ও ওজন কমায় শশাতে রয়েছে প্রচুর পানি এবং অল্প পরিমান ক্যালরি। যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য শশা আদর্শ খাবার। শশা খেলে খাবার দ্রুত হজম হয়। প্রতিদিন শশা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। চোখ ভালো রাখবে শশা গোল গোল করে কেটে চোখের ওপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখলে চোখের কান্তি দূর হয়, এবং চোখের জ্বালাপোড়া দূর করে চোখ ভালো রাখে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করে শশা মুখের জীবানুর বিরুদ্ধে লড়াই করে । শশায় বিদ্যমান ফাইটোক্যামিকেলস মুখের ভেতরের জীবানুকে ধ্বংস করে এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। মাথাব্যথা দূর করে যাদের সকাল বেলা মাথাব্যথা হয় তারা যদি সকালে উঠেই কয়েক টুকরা শশা খান তাহলে আর মাথা ব্যাথা করবে না।। 

বাড়তি লবণ নিষেধ কেন?

http://bdwedding.blogspot.com/

আমরা প্রায়ই রোগীদের বলে থাকি বাড়তি লবণ খাবেন না। কথাটার অর্থ আসলে কী? কোনো বাড়ির রান্নায় লবণ বেশি দেওয়া হয়, কোনো বাড়িতে কম। রান্নায় তবে কত চামচ লবণ ব্যবহার করা উচিত? আসুন জেনে নিই লবণ সম্পর্কে।

* লবণ আর সোডিয়াম এক কথা নয়। রান্নায় ব্যবহৃত লবণ হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড। লবণের ৪০ শতাংশ জুড়ে থাকে সোডিয়াম। তাই এক চামচ লবণ মানেই কিন্তু এক চামচ সোডিয়াম নয়। আমাদের কম খেতে হবে সোডিয়াম। বিশেষ করে, যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ, কিডনি ও যকৃতের সমস্যা ইত্যাদি আছে।

* বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ গ্রুপ যে নির্দেশনা দিয়েছে, তাতে দৈনিক ১৫০০ থেকে ২৩০০ মিলিগ্রাম লবণ খাওয়া যাবে। মানে ১৫০০ মিলিগ্রামের কম হলে তো খুবই ভালো, তবে ২৩০০ মিলিগ্রামের ওপরে কখনোই নয়। তো ১৫০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম আছে ৩ দশমিক ৭৫ গ্রাম পরিমাণ লবণে, মানে পৌনে এক চামচ লবণে। ২৩০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম খেতে হলে ৬ গ্রাম পরিমাণ লবণ খেতে হবে, অর্থাৎ এক চামচ। তার মানে দাঁড়াল, সারা দিনে এক চামচ পরিমাণের বেশি লবণ খাওয়া যাবে না।

* গড়পড়তা আমরা নাকি দৈনিক ৩০০০ থেকে ৩৫০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম খেয়ে ফেলি। এর একটা বড় অংশ আসে প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে। কেননা খাবার সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় এতে প্রচুর লবণ যোগ করা হয়। এ ছাড়া লবণ মূলত যোগ করা হয় খাবারে স্বাদ বাড়াতে। আর কেউ কেউ তো পাতে এরপরও আলাদা লবণ নিয়ে খান।

* বেকিং সোডা ব্যবহৃত হয় এমন খাবার (যেমন পাউরুটি বা ব্রেড, বেকারির বিভিন্ন খাবার), বিস্কুট, প্রক্রিয়াজাত মাংস (যেমন সসেজ, নাগেট), যেকোনো টিনের বা সংরক্ষিত খাবার (যেমন আচার, পনির), সস বা সয়াসসে ভেজানো খাবার যা পরে পরিবেশন করা হয় (যেমন চিকেন ফ্রাই ও অন্যান্য ফাস্টফুড), ইনস্ট্যান্ট নুডলস ও পাস্তা, লবণ মাখানো চানাচুর, বাদাম ইত্যাদি বাড়তি লবণের বড় উৎস। দেখা যায়, আমরা রান্নায় লবণ কমিয়েছি ঠিকই, কিন্তু কেনা খাবারে অনেক লবণ রয়ে গেছে, সেটা খেয়াল করছি না।

* কখনো আমরা নিজের অজান্তেই খাবারে লবণ যোগ করে ফেলি অভ্যাসবশত। যেমন সালাদ তৈরির সময় বা কাঁচা ফল খাওয়ার সময়। ওটা হিসাবের মধ্যেই ধরি না।
আসলে এতখানি মেপে তো আর প্রতিদিন রান্না করা যাবে না। তাই চিকিৎসক যদি লবণ কম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন, তবে তিনটি কাজ করবেন: এক. আলগা লবণ একেবারেই খাবেন না, দুই. রান্নায় আগের চেয়ে একটু কম লবণ দিন আর তিন. ওপরে উল্লেখিত অতি লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

সকালের ৪ টি ভুলে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে দেহের

http://bdwedding.blogspot.com/

সকালে ঘুম থেকে উঠেই আমরা অভ্যাসবশত কিছু না কিছু কাজ করে থাকি । এ কাজ গুলো আমাদের শরীরের জন্য ভাল না খারাপ আসুন জেনে নিই। দিনের শুরুটিই যদি ভালো না কাটে তাহলে পুরো দিনটি যে খারাপ কাটবে তা বলে দিতে হয় না। আর যদি সকালের কিছু কাজে শরীর ও মনের উপর খারাপ প্রভাব পড়তে থাকেতাহলে সেটিও বেশ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই সকালবেলা আমাদের কি করা উচিত এবং উচিত নয় তা জেনে নিতে হবে সকলকেই। সুস্থ থাকার মূলমন্ত্র এখানেই।

১। ঘুম থেকে উঠে বিছানায় অনেকটা সময় বসে থাকা
অনেকে ঘুম ভেঙে তো উঠে পড়েন ঠিকই কিন্তু আলসেমি করে অনেকটা সময় বিছানাতেই পার করে দিয়ে থাকেন। এতে করে আপনার দেহ ভুল সিগন্যাল পেয়ে যায়। অর্থাৎ আপনার নার্ভ সিস্টেম কখন কি করা উচিত তা ঠিক বুঝে উঠতে পারে না। তাই ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসে না থেকে ১ মিনিট থেকে আলতো করে আড়মোড়া ভেঙে উঠে পড়ুন।

২। বিছানায় বসে চা/কফি পান করে নেয়া
অনেকেই বেড টি নিয়ে থাকে, আবার অনেকে বিছানায় বসেই কফি পান করে থাকেন ঘুম তাড়ানোর আশায়। কিন্তু এতে করে ক্ষতি হচ্ছে আপনার হজম শক্তির। সকালে উঠেই অ্যাসিডিক পানীয় পান না করে হালকা কিছু পান করুন। পানি পান করুন। সকালের নাস্তা শেষে তবেই চা/কফি পান করুন।

৩। ঘুম ভাঙার পরপরই ফোন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়া
অনেকেরই অভ্যাস সকালে ঘুম ভেঙে উঠে না বসেই নিজের ফোন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়া। ইমেইল, ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদি ঘুরে তবেই অনেকে ক্ষান্ত হন। কিন্তু সকালে উঠেই ফোন ব্যবহারের ফলে এবং নানা সাইট ঘুরে দেখার ফলে আপনার মস্তিস্কের উপর হুট করে চাপ পড়ে যার কারণে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেয়ে যায় সকাল থেকেই। এতে ক্ষতি হয় দেহের ও মনের।

৪। অল্প নাস্তা বা নাস্তা না করে দিন শুরু করা
আলসেমি এবং ইচ্ছে দুটোকে প্রাধান্য নিয়ে অনেকে সকালে নাস্তা না করেই দিন শুরু করে থাকেন। এতে করে ক্ষতি হয় মস্তিষ্ক এবং শরীরের। সারারাত পর মস্তিষ্ক এবং দেহের সব চাইতে বেশি খাদ্যের প্রয়োজন পড়ে সকালে। এই সময়েই যদি দেহে খাদ্য সরবরাহ না হয় তাহলে তার খারাপ প্রভাব পড়তে থাকে শরীর ও মস্তিস্কের উপর।

স্বাস্থ্যকর মস্তিস্কের জন্য স্মার্ট খাবার

http://bdwedding.blogspot.com/

আমাদের বয়স ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে যা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। বয়স বাড়ার সাথে সাথে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও কমতে থাকে। কিন্তু গবেষণায় জানানো হয়েছে যে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনি আপনার মস্তিস্কের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে পারেন যদি কিছু ‘স্মার্ট ফুড’ আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় থাকে। চলুন তাহলে জেনে নিই স্বাস্থ্যকর মস্তিস্কের জন্য প্রয়োজনীয় স্মার্ট খাবারগুলোর বিষয়ে।

১। বাদাম এবং বীজ
বাদাম এবং বীজ ভিটামিন ই এর ভালো উৎস। আমেরিকার সান্ডিয়াগোর লা জোলার স্ক্রিপ্স মেমোরিয়াল হাসপাতালের স্টাফ প্রেট বলেন, উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই গ্রহণ মস্তিষ্কের দক্ষতা হ্রাস পাওয়া কমায়। দিনে ১ আউন্স বাদাম যেমন- আখরোট, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম, চিনা বাদাম এবং বীজ যেমন- মিষ্টি কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখির বীজ, তিল বীজ খেতে পারেন।এছাড়াও আনহাইড্রোজেনেটেড বাটার যেমন- পিনাট বাটার, আমন্ড বাটার ইত্যাদি খেতে পারেন।

২। অ্যাভোকাডো
‘ডা. অ্যান টেন স্টেপ ডায়েট: এ সিম্পল প্ল্যান ফর পার্মানেন্ট অয়েট লুজ এন্ড অ্যাম্প: লাইফ লং ভাইটালিটি’ এর লেখক অ্যান কালজ বলেন, মস্তিস্কের উন্নতিতে সাহায্য করে অ্যাভোকাডো। অ্যাভোকাডো একটি ফ্যাটি ফল, কিন্তু এটি মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা স্বাস্থ্যকর রক্ত প্রবাহে অবদান রাখে। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যকর রক্ত প্রবাহ মানেই স্বাস্থ্যকর মস্তিস্ক’। এছাড়াও অ্যাভোকাডো রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। যদিও অ্যাভোকাডো উচ্চমাত্রার ক্যালরিযুক্ত খাবার তাই কালজ প্রতিদিন একটি অ্যাভোকাডোর অর্ধেক বা চারভাগের এক ভাগ অংশ খেতে পরামর্শ দেন।

৩। আস্ত শস্য
ওটমিল, পাউরুটি, বাদামী চালের মত আস্ত শস্যদানা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। প্রেট বলেন, ‘শরীরের প্রতিটা অঙ্গই রক্ত প্রবাহের উপর নির্ভরশীল’।‘কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্যের উন্নতি হলে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত প্রবাহের ও উন্নতি ঘটে, এর মধ্যে মস্তিস্ক ও অন্তর্ভুক্ত’। গম বীজে ফাইবার, ভিটামিন ই, এবং কিছু ওমেগা-৩ এস থাকে।কালজ পরামর্শ দেন – আধা কাপ আস্ত শস্যের সিরিয়াল, ১ টুকরো পাউরুটি দিনে ২ থেকে ৩ বার খেতে পারেন।

৪। মটরশুঁটি
মটরশুঁটি রক্তে চিনির মাত্রাকে স্থিতিশীল রাখে। কালজ বলেন, গ্লুকোজ হচ্ছে মস্তিস্কের জ্বালানী। যদিও মস্তিস্ক গ্লুকোজ সংরক্ষণ করতে পারে না, এটি শক্তির ক্রমাগত প্রবাহের উপর নির্ভর করে এবং মটরশুঁটি এটি দিতে পারে’। প্রতিদিন আধা কাপ মটরশুঁটি খাওয়ার পরামর্শ দেন কালজ।

৫। ডালিমের রস
ডালিমের রসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বলে ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে মস্তিস্ককে রক্ষা করতে পারে।‘দ্যা বেটার ব্রেইন বুক’ বই এর লেখক এবং বোর্ড সারটিফাইড স্নায়ুবিদ ডেভিড পার্লমুটার বলেন, ‘ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতির ক্ষেত্রে অন্যান্য অঙ্গের চেয়ে মস্তিস্ক অনেক বেশি সংবেদনশীল’। সাইট্রাস ফল এবং রঙিন সবজিকেও ‘ব্রেইনি ফুড’ হিসেবে তালিকায় উল্লেখ করেন পার্লমুটার। যেহেতু ডালিমের রসে চিনি থাকে তাই তিনি প্রতিদিন ২ আউন্স পান করার পরামর্শ দেন।

৬। চা
ঠান্ডা অথবা গরম সদ্য তৈরি করা চায়ে পরিমিত পরিমাণে ক্যাফেইন থাকে যা মস্তিস্কের শক্তি বৃদ্ধি করে স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং মেজাজ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে।এছাড়াও চায়ে ক্যাটেচিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা রক্ত প্রবাহের উন্নতিতে সাহায্য করে।

৭। ডার্ক চকলেট
ডার্ক চকলেটে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান এবং ক্যাফেইন সহ প্রচুর প্রাকৃতিক উদ্দীপক থাকে যা ফোকাস এবং মনোযোগ বৃদ্ধি করে এবং অ্যান্ডোরফিন এর উৎপাদনকেও উদ্দীপিত করে যা মেজাজের উন্নতিতে সাহায্য করে। দিনে আধা আউন্স বা ১ আউন্স ডার্ক চকলেট আপনাকে প্রয়োজনীয় উপকারিতা দেবে। এটি এমন একটি সুপার ফুড যা বেশি খাওয়া উচিৎ নয়। কালজ বলেন, ‘এটি পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে’।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে জলপাই এর ব্যবহারে

http://bdwedding.blogspot.com/

জলপাই একটি টকজাতীয় ফল। খোসাসহ খেতে হয়। খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। এই আঁশ নিয়মিত খাবার হজমে সাহায্য করে। আর পাকস্থলী ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, কোলনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

শুধু ফল হিসেবে নয়, এর তেল খুব স্বাস্থ্যকর। রান্না ও আচারের কাঁচা জলপাইয়ে পুষ্টি এতে বেশি। বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ বলেন, ১০০ গ্রাম জলপাইয়ে থাকে ৭০ ক্যালোরি। এতে শর্করা ১৬.২ গ্রাম, খনিজ ৩.১ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন সি থাকে ৩৯ মিলিগ্রাম। যে কোনো বয়সের জন্য বিশেষ করে হৃদরোগী ও অস্ত্রোপচারের পর জলপাই খেলে উপকার পাওয়া যায়।

জলপাইয়ের ভিটামিন ‘সি’ ও ভিটামিন ‘এ’ ত্বক, চুল, দাঁতের উজ্জ্বলতা ও পুষ্টি জোগায়। সংক্রামক ও ছোঁয়াচে রোগগুলোকে রাখে অনেক দূরে। এ ছাড়া জীবাণুর আক্রমণ, চোখ ওঠা, চোখের পাতায় লালচে ফোঁড়া এ সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করে।

রক্ত চলাচল ঠিক রেখে হৃৎপিণ্ডকে সঠিকভাবে কাজ করতে অবদান রাখে জলপাই। পরিমাণে কমে যায় লাইপোপ্রোটিন। এ ফলে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এজেন্ট আছে, যা দেহের ক্ষতিকর জীবাণুকে ধ্বংস করে। নিয়মিত জলপাই খেলে পিত্তথলির পিত্তরসের কাজ করতে সুবিধা হয়। পরিণামে পিত্তথলিতে পাথরের প্রবণতা কমে যায়।

জলপাইয়ের তেল রান্না করে খাওয়া এবং ত্বক দুটোর জন্যই খুবই উপযোগী। এই তেলে চর্বি বা কলেস্টেরল থাকে না। তাই ওজন কমাতে কার্যকর। যে কোনো কাটা-ছেঁড়া ভালো করতে অবদান রাখে। জ্বর, হাঁচি-কাশি, সর্দি ভালো করার জন্য জলপাই খুবই উপকারী ।