Friday, March 31, 2017

চুল পড়া বন্ধে পেঁয়াজের রসের নানাবিধ ব্যবহার


বর্তমানে চুল পড়া সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। যাদের চুল পড়ার মাত্রা বেশি তাদের অনেক ক্ষেত্রে চুল পাতলা হয়ে যায়। যারা এই সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তাদের জন্য রয়েছে ঘরোয়া সমাধান। জেনে নেয়া যাক চুল পড়া বন্ধে পেঁয়াজের রসের নানাবিধ ব্যবহার।

পেঁয়াজের রস ও মধু:
খুশকি এবং চুল পড়ে যাওয়া বন্ধ করতে পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু একসঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগান। সমপরিমাণে পেঁয়াজের রস এবং মধু নিন। মাথায় হাল্কা মালিশ করে লাগান। আধ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।

পেঁয়াজের রস ও আমন্ড অয়েল:
আমন্ড তেল রুক্ষ চুলের সমস্যা মেটাতে সাহায্য করে। পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মিশালে চুল পড়া বন্ধ করতেও এটি সাহায্য করে। এক্ষেত্রেও এই দুইটি সমপরিমাণে নিয়ে মাথায় লাগান। ২-৩ ঘণ্টা রাখার পর হাল্কা গরম জলে মাইল্ড শ্যাম্পুর সাহায্যে ধুয়ে নিন।

পেঁয়াজের রস ও নারকেল তেল:
চুলের চর্চার ক্ষেত্রে নারকেল তেল বহুকাল ধরে ব্যবহূত হয়ে আসছে।   এটি চুল পড়া বন্ধেরও সাহায্য করে। এর সঙ্গে পেঁয়াজ  রস মেশালে কার্যকারিতা আরো বেশি বেড়ে যায়। এই মিশ্রণটি চুলের গোড়া মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ করবে।

পেঁয়াজের রস ও অলিভ অয়েল:
চুল পড়া বন্ধ করতে পেঁয়াজের রস ও অলিভ অয়েল হল পারফেক্ট কম্বিনেশন। ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল নিন। এই মিশ্রণটি হাল্কা গরম করে চুলে লাগান। এক-দেড় ঘণ্টা রেখে ধুয়ে নিন।

পেঁয়াজের রস ও গরম পানি:
এক মগ গরম পানিতে পাঁচটি পেঁয়াজের রস মিশিয়ে নিন। শ্যাম্পু করার পর এই মিশ্রণটির দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এর পাঁচ মিনিট পর শুধু পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এক মাসের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারবেন। 

মাথা ব্যথা দূর করার ১০টি কৌশলঃ


অতিরিক্ত কাজের চাপ ও টেনশন, পুষ্টির অভাব এবং কম ঘুমের কারণে সাধারণত মাথাব্যথা হয়। মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে আমরা প্যারাসিটামল কিংবা ব্যথানাশক
ওষুধ খেয়ে থাকি। এসব উপায় সাময়িক মুক্তি দেয়, কিন্তু কিছু অভ্যাস রপ্ত করে নিলে
আপনি মাথাব্যথা থেকে একেবারে মুক্তি পেতে পারেন।
১) প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যান। পর্যাপ্তপরিমাণে ঘুমান।

২) হালকা ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত চলাচল ভাল হবে, ফলে মাথাব্যথা দূর হবে।

৩) চিন্তা মুক্ত থাকুন।

৪) প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন।

৫) কফি কিংবা চা পান করতে পারেন। চা ও কফিতে বিদ্যমান ক্যাফেইন মাথা ব্যথার অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।

৬) লবঙ্গ গুঁড়ো করে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে নিয়ে ঘ্রাণ নিন। এতে মাথাব্যথা কমে যাবে।

৭) হালকা গরম জলে হাত- পা ভিজিয়ে রাখুন। এতে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে।
ফলে মাথাব্যথা কমে যাবে।

৮) একটানা কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপে কাজ করবেন না। মাঝে মাঝে চোখকে বিশ্রাম দিন।

৯) মাথা, কপাল ও ঘাড় ভালমতো ম্যাসাজ করুন। এতেও মাথাব্যথা দূর হবে।

১০) কাঙ্ক্ষিত অনাকাঙ্ক্ষিত সব পরিস্থিতি থেকে আনন্দ খুঁজে নিন, প্রাণ খুলে হাসুন।

[][] উপরের কৌশল গুলো মেনে চললেই খুব সহজেই মাথা ব্যথা দূর করতে পারবেন।

আজ জেনে নিন সবাই জানার মাঝে অজানা ৬টি তথ্যঃ


☞ আপনি যত বেশি ঠাণ্ডা ঘরে
ঘুমাবেন, আপনার
দুঃস্বপ্ন দেখার সম্ভবনা তত বেশি!!

☞ সারাদিনে একজন পুরুষের চেয়ে
একজন
মহিলা বেশি সংখ্যক বার চোখের
পাতা ফেলেন!!

☞ আপনি যদি হঠাৎ করে সিগারেট
খাওয়া ছেড়ে দেন, তবে সম্ভবনা
আছে যে,
আপনার রাতের ঘুম
একঘণ্টা করে কমে যাবে!!

☞ আপনি যখন হাসেন তখন আপনার
দেহে ক্লান্তি সৃষ্টিকারী
হরমোনগুলো কাজ
করতে পারে না!! এজন্য তখন
আপনাকে আরো বেশি সজীব এবং
সতেজ
দেখায়!!

☞ একটা ৬ বছরের বাচ্চা দিনে গড়ে
প্রায় ৩০০
বারের মতো হাসে!! আর একজন
পরিপূর্ণ/
প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে হাসেন গড়ে
১৫-১০০
বার!!

☞ আপনার ব্রেইন দিনের চেয়ে
রাতের
বেলা কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য
বোধ করে!!
রাতের বেলা ব্রেইনের কাজ করার
ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়!


:::::মধুর কিছু উপকারিতা::::


—মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।

—মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি।
তাই মধু সহজে হজম হয়।

—চোখের জন্য ভালো।

—গলার স্বর সুন্দর করে।

—শরীরের ক্ষত দ্রুত সারায়।

—আলসার সারাতে সাহায্য করে।

—নালীগুলো পরিষ্কার করে।

—ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

—মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বকসুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।

—বুদ্ধিবৃত্তি বাড়ায়।

—শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায়|

যেনে রাখুন কাজে লাগবে


** ঘুমাতে যাওয়ার আগে পানি খেলে তা হার্ট এটাক এর ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয় এবং আপনার হজমে সাহায্য করবে।

** প্রতিদিন একটি তুলসী পাতা আপনাকে ক্যান্সার থেকে দূরে রাখবে।

** প্রতিদিন একটি লেবু আপনাকে মেদ ভূড়ি থেকে দূরে রাখবে।...