Monday, March 27, 2017

সুস্থ, সূখী ও সুন্দর জীবনের জন্য!!!


যদি সুস্থ থাকতে চান তাহলে
প্রতিদিন সকালবেলা কমপক্ষে ২০-৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটুন।
যদি চিন্তামুক্ত হতে চান তাহলে
নিজেকে বলুন যা হবার হবে, ভরসা কেবল আল্লাহর উপর।
যদি অহংকার মুক্ত থাকতে চান তাহলে
প্রতি দিন ২০ -৩০ জনকে ছালাম দিন।
যদি রাগ কমাতে চান তাহলে
প্রতিদিন সকালে নিয়ত করুন
আজকে কোন প্রকার রাগ করব না, না, না।
যদি সুনির্দি ষ্ট কারোর উপর বেশি রাগ থাকে
তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিন।
আর একথা সব সময় মনে রাখুন, আল্লাহ ক্ষমাশীলদের পছন্দ করেন৷
যদি মেধাবী হতে চান তাহলে
মনের সকল দুঃখ, কষ্ট, রাগ ঝেড়ে ফেলেদিন।
যদি জ্ঞানী হতে চান তাহলে
জ্ঞানীদের সাথে মিশুন জ্ঞান চর্চা করুন৷
যদি ধনী হতে চান তাহলে
সময় এবং ব্যবসাকে বেশি গুরুত্ব দিন।
যদি সম্মানীত হতে চান তাহলে
সততা এবং ভাল কাজকে বেশি গুরুত্ব দিন।
যদি সুখী হতে চান তাহলে
পরিবারকে বেশি গুরুত্ব দিন।
যদি সফল হতে চান তাহলে
প্রতিটি মিনিট, ঘন্টা, দিনকে সঠিক ক্ষেত্রে ব্যয় করুন, সময় থেকে সময় save করুন।
অর্থাৎ ২০ মিনিটের কাজ ১৫মিনিটে করুন।
যদি মহৎ ব্যক্তি হতে চান তাহলে
মিথ্যা, প্রতারণা, ছলনা, কথা বাড়িয়ে বলা ইত্যাদিকে এড়িয়ে চলুন।

এসিডিটি কে গুডবাই !!!


1. পেটে গ্যাস হলে কয়েকটা লবঙ্গদানা, আদা কুচি বা পুদিনা পাতা ওষুধের মতো কাজে দেবে।

2. জিরা গরম তাওয়ায় সেঁকে হালকাভাবে ছেঁচে নিত প্রতিবার খাবার আগে এক গ্লাস পানিতে এটি এক চা চামচ মিশিয়ে খেলে দ্রুত গ্যাসের উপশম হয়।

3. গ্যাসের ফলে বুক জ্বালাপোড়া করলে গুড় খাবেন। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের এটি এড়িয়ে যেতে হবে।

4. দাওয়াতে আমরা বোরহানি খেলে এর টকদই হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস দূর করে।

5. পেটের যে কোনো সমস্যা উপশমে প্রতি ৫-৬টি বাসক পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। অথবা বাসক পাতা বেটে, রোদে শুকিয়ে গুড়া করে নিয়মিত খেলে এ সমস্যা স্থায়ীভাবে দূর হবে।

6. প্রতিবার খাওয়ার পর বাটার মিল্কের সঙ্গে সামান্য গোল মরিচ মিশিয়ে খেলে খেলে এসিডিটি দূর হয়।

সবুজ আপেলের ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা


আপেলের গুণাগুণ  সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। এই সুস্বাদু ফল আমাদের সবারই খেতে কমবেশি ভালো লাগে এবং নারী-পুরুষ সবার জন্যই আপেল খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি। ডাক্তারদের মতামত অনুযায়ী প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে আপনাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না খুব একটা। আপেল সাধারণত দুই প্রকারের হয়ে থাকে, লাল ও সবুজ। লাল আপেলের গুণাবলি সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। কিন্তু সবুজ আপেলের বিশেষ গুণগুলো সম্পর্কে হয়তো অনেকেরই ধারনা নেই। তাই চলুন আজ জেনে নিই, আমাদের দেহের সুস্থতায় সবুজ আপেলের গুণাবলি সম্পর্কে কিছু তথ্য।

(১) সবুজ আপেলে আছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার

সবুজ আপেলের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ উপদান হল ফাইবার, যা সবুজ আপেলে আছে প্রচুর পরিমাণে। সবুজ আপেলের এই ফাইবার উপাদান আমাদের পেটের যে কোন সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে ও পরিপাক প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে হতে সহায়তা করে।

(২) কোলন ক্যানসার রোধ করে

সবুজ আপেলের ফাইবার উপদান আমাদের দেহকে কোলন ক্যানসার রোগ হওয়া থেকে রক্ষা করে।

(৩) ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নেই

সবুজ আপেল আমাদের পেটের সুস্থতায় অনেক সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া সবুজ আপেলের মধ্যে কোন ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নেই যা আমাদের দেহের জন্য খারাপ। তাই আপনি নিশ্চিন্তে ডায়েট করতে পারেন সবুজ আপেল খেয়ে।

(৪) কোলেস্টেরল মাত্রা খুব কম

বলাই হয়েছে যে সবুজ আপেলে কোন ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নেই এবং যতটুকু আছে তাও মাত্রায় খুব কম। যেহেতু সবুজ আপেলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার উপাদান আছে তা দেহের কোলেস্টেরল মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে।

(৫) সহজেই হজম হয়

আপনি খুব ভারী কোন খাবার খেয়েছেন। চিন্তা করছেন হজম হবে কিনা ঠিকমত। কিন্তু চিন্তার কোন কারণ নেই ,আপনি একটি সবুজ আপেল খেয়ে নিন। কারণ সবুজ আপেলে আছে এনজাইম উপাদান যা খুব দ্রুত খাদ্য হজম করতে সাহায্য করে।

(৬) অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানে সমৃদ্ধ

সবুজ আপেলে আছে ফ্লেভনয়েড ও পলিফেনল যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। আর এই উপদান দুটি আমাদের দেহের DNA এর ক্ষতি রোধ করে এবং ক্যানসারও রোধ করে।

(৭) ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে

সবুজ আপেলের জৈব এসিড উপাদান আমাদের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই যদি আপনার বার বার ক্ষুধা লেগে থাকার সমস্যা থেকে থাকে তাহলে সবুজ আপেল খেয়ে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন।

(৮) দেহে শক্তি বৃদ্ধি করে

সবুজ আপেল আমাদের দেহে শক্তি যোগায়। সবুজ আপেলের অন্যতম উপদান কার্বোহাইড্রেট যা আমাদের দেহের জন্য খুব উপকারি। বিশেষ করে যারা খেলাধুলা করেন, কঠোর পরিশ্রম করেন তারা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবুজ আপেল অবশ্যই রাখুন।

(৯) লিভার ও নালীর সমস্যা রোধ করে

সবুজ আপেল আমাদের দেহের লিভারের যে কোন সমস্যা দূর করে ও পাশাপাশি খাদ্য নালী, পরিপাক নালী ও অন্যান্য নালীর সমস্যা দূর করে।

(১০) রোগ প্রতিরোধ করে

সবুজ আপেল ডায়রিয়ার সমস্যা রোধ করে ও পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য ও বাতের সমস্যা দূর করে এবং বদ হজমের সমস্যাও দূর করে।

কিভাবে বয়স ধরে রাখে পালং শাক


স্মৃতিশক্তি দুর্বল? অল্পতেই ভুলে যাচ্ছেন? নিয়ম করে খান পালং শাক। অল্পেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন? পালং শাক খেয়ে ধরে রাখুন বয়স। ক্যানসার প্রতিরোধেও অব্যর্থ দাওয়াই এই পালং শাক।

জেটগতির লাইফস্টাইল, খাদ্যাভাস, বদলে যাওয়া জীবনযাপন। অল্প বিশ্রাম। মোটে কয়েক ঘণ্টার ঘুম। ফল? রোগের ডিপো শরীর। অঙ্গপ্রত্যঙ্গের দফারফা। একটু একটু করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া। তাহলে উপায়?

শিকাগোর হেলথ ও এজিং প্রকল্পের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভনয়েড, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে। মস্তিষ্কের বয়স কমাতে সাহায্য করে। দীর্ঘদিন মস্তিষ্কের শক্তি অটুট রাখে। অনেক বেশি বয়স পর্যন্ত স্নায়ুতন্ত্র নির্ভুলভাবে কাজ করে।

এছাড়া এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‌‘ই’। দিনে গড়ে ৩০ গ্রাম পাংল শাক খেলে ভবিষ্যতে অ্যালঝাইমার্স হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

জাপানের একদল বিজ্ঞানী এবং হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল সম্প্রতি একটি গবেষণা চালায়। গবেষকদের দাবি, পালং শাকের ফ্ল্যাভনয়েড নারীদের শরীরে অব্যর্থ ওষুধের কাজ করে। প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায় গর্ভাশয়ে ক্যানসারের শঙ্কা। এছাড়া পালং শাকে থাকা ক্যারটিনয়েড, নিওজ্যানথিন প্রস্টেট ক্যানসারের কোষকে মেরে ফেলে।

শুধু মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখা বা ক্যানসার প্রতিরোধই নয়, শরীরকে সুস্থ ও নীরোগ রাখতেও পালং শাকের জুড়ি নেই। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, যা চোখের ভেতরের ও বাইরের অংশগুলোয় পুষ্টি জোগায়; অকাল অন্ধত্ব থেকে চোখকে রক্ষা করে।

এছাড়াও পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। এটি মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

গর্ভস্থ শিশুর মেধা বিকাশেও এই শাকের গুরুত্ব অপরিসীম। ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, ও বি৬ প্রচুর পরিমাণে রয়েছে পালং শাকে, যা চুল পড়া রোধ করে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

Sunday, March 26, 2017

আসুন জেনে নেই - ওষুধ সেবনের জরুরী কিছু নিয়ম - কানুন || Important Rules of Taking Medicine - Very Very Importent Tips


১. ব্যথানাশক ওষুধ যেমন: ডাইক্লোফেনাক সোডিয়াম, ন্যাপ্রোক্সেন, আইবুপ্রোফেন, অ্যাসপিরিন ও কিটোরোলাক ইত্যাদি ভরা পেটে গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় অন্ত্র ফুটো হয়ে যেতে পারে।
২. প্রোটন পাম্প ইনহেবিটর যেমন: ওমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল, ইসোমেপ্রাজল ইত্যাদি খাবারের আগে সেবন করতে হবে।
৩. ঠাণ্ডা-সর্দি বা অ্যালার্জির জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন, যেমন: লোরাটাডিন, সেটিরিজিন, ফেক্সোফেনাডিন খালি পেটে গ্রহণ করলে এর কার্যকারিতা বেশি হয়।
৪. অ্যান্টাসিড খাবারের পর না খেয়ে ৩০ মিনিট পর খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
৫. সিপ্রোফ্লোক্সাসিন খাবার খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি দিয়ে সেবন করাই ভালো। সিপ্রোফ্লক্সাসিন গ্রহণের ২ ঘণ্টার মধ্যে দুগ্ধজাত খাবার বা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, আয়রন বা জিংকযুক্ত খাবার খাওয়া উচিৎ না
৬. ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট, আয়রন ট্যাবলেট, মাল্টিভিটামিন খাবার কয়েক ঘণ্টা আগে বা পরে সেবন করতে পারেন।
৭. পেনিসিলিন খালি পেটে সেবন করাই ভালো।
৮. কিছু ওষুধ যেমন_ কোট্রিম সেবন করলে বেশি পরিমাণে পানি পান করতে হবে। না হলে এটি কিডনিতে পাথর তৈরি করে সমস্যা করতে পারে।
৯. একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ওষুধ সেবন করলে ওষুধের মধ্যে প্রতিক্রিয়ায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে ওষুধের কার্যকারিতা কমতে পারে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে ওষুধের কার্যকারিতা বাড়তে পারে। এ দুটোই বেশ ক্ষতিকর। তাই এ ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মানতে হবে।
১০. হাঁপানি আছে এমন ব্যক্তির ব্যথানাশক ওষুধ, বেটা ব্লকার-এটেনোলল, প্রোপানোলল সেবন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
১১. গর্ভাবস্থায় ওষুধ সেবন গর্ভধারণ ও ভ্রূণের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। থ্যালিডোমাইড, রেটিনয়েড, ক্যান্সারের ওষুধ সেবন করলে গর্ভের শিশুর ক্ষতি হতে পারে। গর্ভকালীন টেট্রাসাইক্লিন শিশুর দাঁত ও হাড়ের গঠনে বাধা দেয়। গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ওষুধ শিশুর হাইপোগ্লাইসেমিয়া করে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই এ সময় ইনসুলিন নিতে হয়।