Wednesday, March 22, 2017

shortcut key of Microsoft word

ব্যাসিক শর্টকাট

http://bdwedding.blogspot.com/

Sl.Shortcut KeyFunction
1Ctrl+Aফাইলের সব কিছু সিলেক্ট করা
2Ctrl+Bসিলেক্ট করা টেক্সটকে বোল্ড করা
3Ctrl+Cসিলেক্ট করা যে কোন কিছু কপি করা
4Ctrl+Dফন্ট ডায়ালক বক্স দেখাবে
5Ctrl+Eসিলেক্ট করা টেক্সকে পৃষ্ঠার মাঝে নিতে
6Ctrl+Fফাইন্ড এন্ড রিপ্লেস ডায়ালক বক্স থেকে কোন টেক্স খুজে বের করা
7Ctrl+Gনির্দিষ্ট পৃষ্ঠায় যাবার জন্য ব্যবহৃত হয়
8Ctrl+Hফাইন্ড এন্ড রিপ্লেস ডায়ালক বক্স থেকে কোন টেক্স রিপ্লেস করার জন্য
9Ctrl+Iসিলেক্ট করা টেক্সকে ইটালিক/ বাঁকা করতে ব্যবহৃত হয়
10Ctrl+Jটেক্স জাস্টিফাই করতে ব্যবহৃত
11Ctrl+Kসিলেক্ট করা যে কোন কিছু লিংক করতে ব্যবহৃত হয়
12Ctrl+Lটেক্স পৃষ্ঠার/টেক্স বক্সের বাম দিকে নিতে
13Ctrl+Mটেক্স এর নির্দিষ্ট স্থান বাম দিকে ফাঁকা করতে ব্যবহৃত এটি ট্যাব এর ন্যায় কাজ করে
14Ctrl+Nনতুন ডকুমেন্ট ফাইল খুলতে ব্যবহৃত হয়
15Ctrl+Oপুরাতন বা সেভ করা ফাইল খুলতে
16Ctrl+Pপ্রিন্ট ডায়ালগ বক্স দেখাবার জন্য ব্যবহৃত
17Ctrl+Rটেক্স পৃষ্ঠার/টেক্স বক্সের ডান দিকে নিতে
18Ctrl+Sনতুন ফাইল সেভ বা পুরাতন ফাইলের সংযোজন অংশ সেভ করতে ব্যবহৃত
19Ctrl+Tসাধারণ টেক্স নাম্বারিং এর জন্য সাহায্যে করে বাম থেকে দ্বিতীয় লাইন থেকে নির্দিষ্ট স্থান দূরে সরে যাবে
20Ctrl+Uটেক্স এর নীচে দাগ দিতে ব্যবহৃত
21Ctrl+Vকপি করা যে কোন কিছু পেষ্ট করতে ব্যবহৃত
22Ctrl+Wপ্রোগ্রাম বন্ধ না করে নির্দিষ্ট ডকুমেন্ট বন্ধ করতে ব্যবহৃত
23Ctrl+Xসিলেক্ট করা যে কোন কিছুকে কাট করতে ব্যবহৃত হয়
24Ctrl+Yপরবর্তী কাজ সমূহে চলে যাবার জন্য
25Ctrl+Zপূর্ববর্তী কাজ সমূহে চলে যাবার জন্য

Create, save, view and print documents

Sl.Shortcut KeyFunction
1Ctrl+Nনতুন ডকুমেন্ট শুরু করা
2Ctrl+Oওপেন ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা
3Ctrl+Wঅ্যাকটিভ ডকুমেন্ট বন্ধ করা
4Ctrl+Sডকুমেন্ট সংরক্ষণ বা সেভ করা
5Ctrl+Pপ্রিন্ট ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন বা প্রিন্ট করার জন্য
6Alt+Ctrl+Iপ্রিন্ট কত পেইজ থেকে কত পেইজ হবে বা প্রিন্ট প্রিভিউ প্রদর্শন করার জন্য
7Alt+Ctrl+Pপ্রিন্ট লেআউট প্রদর্শন করার জন্য
8Alt+Ctrl+Oআউটলাইন ভিউ প্রদর্শন করার জন্য
9Alt+Ctrl+Nড্রাফট ভিউ প্রদর্শন করার জন্য

Find, Replace and Browse through text

Sl.Shortcut KeyFunction
1Ctrl+Fকোন ওয়ার্ড সার্চ করার জন্য
2Alt+Ctrl+Yআরেকটা ওয়ার্ড সার্চ করার জন্য (একটা সার্চ রিপ্লেস করার পর)
3Ctrl +Hরিপ্লেস ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করার জন্য
4Ctrl+Gগো টু ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করার জন্য
5Alt+Ctrl+ Zআপনি শেষ চারটি জায়গায় সংশোধন করেছেন তা প্রদর্শন করবে
6Ctrl+PageUpপূর্বের সংশোধনের স্থানে যাওয়ার জন্য
7Ctrl+PageDownপরের সংশোধনের স্থানে যাওয়ার জন্য

Edit and Move Text and Graphics

Sl.Shortcut KeyFunction
1Backspaceবামদিক থেকে একটি বর্ণ ডিলিট করার জন্য
2Ctrl + Backspaceবামদিক থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য
3Deleteডানদিন থেকে একটি বর্ণ ডিলিট করার জন্য
4Ctrl + Deleteডানদিক থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য
5Ctrl+ Zশেষ কাজটি বাতিল করার জন্য
6Ctrl + Cনির্বাচিত টেক্সট কপি করার জন্য
7Ctrl + Xনির্বাচিত টেক্সট কাট করার জন্য
8Ctrl+Vকপি/কাট করা টেক্সট পেস্ট করার জন্য
9Alt+Shift +Rহেডার অথবা ফুটারের পূর্বের অংশ কপি করার জন্য
10Ctrl +Alt +Vপেস্ট স্পেশাল ডায়ালগ বক্স প্রদর্শনের জন্য
11Ctrl + Shift + Vশুধু ফরম্যাটিং পেস্ট করার জন্য
12Ctrl+F9খালি ফিল্ড ইনসার্ট করার জন্য
13Shift +Enterএকটি প্যারাগ্রাফে একটি নতুন লাইন শুরু করার জন্য
14Ctrl + Enterপেজ ব্রেক ইনসার্ট করার জন্য
15Ctrl + shift+ Enterকলাম ব্রেক ইনসার্ট করার জন্য
16Alt+Ctrl+Minus Signএকটি ড্যাশ ইনসার্ট করার জন্য
17Ctrl+Minus Signএকটি ড্যাশ ইনসার্ট করার জন্য
18Ctrl + Hyphenএকটি অপশনাল হাইপেন ইনসার্ট করার জন্য
19Ctrl + Shift + Hyphenনন ব্রেকিং হাইপেন ইনসার্ট করার জন্য
20Ctrl + Shift + Spacebarনন ব্রেকিং স্পেস ইনসার্ট করার জন্য
21Alt + Ctrl + Cকপিরাইট প্রতীক ইনসার্ট করার জন্য
22Alt+Ctrl+Rরেজিষ্টার্ড ট্রেডমার্ক প্রতীক ইনসার্ট করার জন্য
23Alt+Ctrl+Tট্রেডমার্ক প্রতীক ইনসার্ট করার জন্য
24Alt+Ctrl+Full Stopউপবৃত্ত ইনসার্ট করার জন্য

Select Text and Graphics

Sl.Shortcut KeyFunction
1Shift + Right Arrowডানদিক থেকে একটি লেটার নির্বাচিত করার জন্য
2Shift +Left Arrowবামদিক থেকে একটি লেটার নির্বাচিত করার জন্য
3Ctrl+Shift+RightArrowশব্দের শেষ পর্যন্ত সিলেক্ট করার জন্য
4Ctrl+Shift+Left Arrowশব্দের শুরু পর্যন্ত সিলেক্ট করার জন্য
5Shift+Endলাইনের শেষে সিলেক্ট করার জন্য
6Shift + Homeলাইনের শুরুতে সিলেক্ট করার জন্য
7Shift + Down Arrowনিচের একটি লাইন ও সিলেক্ট করার জন্য
8Shift +Up Arrowউপরের একটি লাইন ও সিলেক্ট করার জন্য
9Ctrl+Shift+Down Arrowপ্যারেগ্রাফের শেষ পর্যন্ত সিলেক্ট করার জন্য
10Ctrl+Shift+Up Arrowপ্যারাগ্রাফের শুরু পর্যন্ত সিলেক্ট করার জন্য
11Shift+Page Downস্ক্রীনের নিচে পরবর্তী স্ক্রীনে সিলেক্ট করার জন্য
12Shift+Page Upস্ক্রীনের উপরে পূর্ববর্তী স্ক্রীনে সিলেক্ট করার জন্য
13Ctrl+Shift+Homeকোন ডকুমেন্টের একদম শুরুতে যাওয়ার জন্য
14Ctrl+Shift+Endকোন ডকুমেন্টের একদম শেষে যাওয়ার জন্য
15Ctrl + Aসম্পূর্ণ ডকুমেন্ট সিলেক্ট করার জন্য

Select Text in a Table

Sl.Shortcut KeyFunction
1Tabটেবলের পরবর্তী সেল সিলেক্ট করার জন্য
2Shift +Tabটেবলের পূর্ববর্তী সেল সিলেক্ট করার জন্য
3Shift+Alt+Page Downউপরের সেল থেকে পুরো কলাম সিলেক্ট করার জন্য
4Shift+Alt+Page Upনিচের সেল থেকে পুরো কলাম সিলেক্ট করার জন্য
5Alt+5 on the numeric Keypad (with Num Lock off)পুরো টেবল সিলেক্ট করার জন্য

Apply Paragraph Formatting

Sl.Shortcut KeyFunction
1Ctrl+1সিঙ্গেল লাইন স্পেসিং সেট করার জন্য
2Ctrl + 2ডাবল লাইন স্পেসিং সেট করার জন্য
3Ctrl+5দেড় লাইন স্পেসিং সেট করার জন্য
4Ctrl+0এক লাইন স্পেস দেওয়ার জন্য ২টি প্যারাগ্রাফের মধ্যে
5Ctrl +Eএকটি প্যারাগ্রাফকে মাঝখানে সেট করে
6Ctrl+Jএকটি প্যারাগ্রাফকে জাস্টিফাইড অ্যালাইনমেন্ট দেওয়ার জন্য
7Ctrl+Rএকটি প্যারাগ্রাফকে রাইট অ্যালাইনমেন্ট দেওয়ার জন্য
8Ctrl+Lএকটি প্যারাগ্রাফকে লেফট অ্যালাইনমেন্ট দেওয়ার জন্য
9Ctrl+Mবাম দিক থেকে ইনডেন্ট দেওয়ার জন্য
10Ctrl+Shift+Mবামদিক থেকে প্যারাগ্রাফ ইনডেন্ট বাদ দেয়ার জন্য
11Ctrl+Tহ্যাংগিং ইনডেন্ট দেওয়ার জন্য
12Ctrl+Shift+Tহ্যাংগিং ইনডেন্ট কমানোর জন্য
13Ctrl+Qপ্যারাগ্রাফ ফরম্যাটিং দূর করার জন্য

Perform a Mail Merge

Sl.Shortcut KeyFunction
1Alt+shift+Kমেইল মার্জ প্রদর্শনের জন্য
2Alt+Shift+Nডকুমেন্ট মার্জড করার জন্য
3Alt+Shift+Mমার্জড ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য
4Alt+Shift+Eমেইল মার্জড ডাটা ডকুমেন্ট এডিট করার জন্য
5Alt+shift+Fএকটি মার্জ ফিল্ড ইনসার্ট করার জন্য


কী-বোর্ড শর্টকাট - Free Online Computer Training center / Basic Knowledge about computer

মাইক্রোসফট আফিস একটি বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় ডকুমেন্ট প্রসেসর। অফিস, বাসা -বাড়ী, স্কুল-কলেজ সবখানেই এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। ওয়ার্ড প্রসেসিং এ দক্ষতা বাড়াতে কিবোর্ড শর্টকাটের জুড়ি নেই। কি-বোর্ড শর্টকাট জানা থাকলে আপনি মাউস এড়িয়ে দ্রুত অনেক কিছু করতে পারবেন।

ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর গ্রাফিক ডিজাইন ও ফটো এডিটিং এর জন্য খুবই জনপ্রিয় সফটওয়্যার। কিন্তু কীবোর্ড শর্টকাট জানা না থাকলে আপনার কাজে গতি অনেক কমে যেতে পারে।

মাইক্রোসফট অফিস (ওয়ার্ড ও এক্সেল) এবং ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর এর প্রয়োজনীয় সব কিবোর্ড শর্টকাট ক্যাটাগরি আকারে সাজানো এবং ব্যাখ্যা দেওয়া যা আপনার কাজে এনে দেবে গতি।

বর্তমানে স্মার্টফোন আমাদের নিত্যসঙ্গী। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমাদের জানা নেই স্মার্টফোনের দরকারি অসংখ্য শর্টকাট কোড। তাই এতে আপনার যোগ করা হয়েছে স্মার্টফোনের দরকারি সকল কোড।

আর যে কোন কাজে কম্পিউটারের ব্যবহার তো ইদানিং অপরিহার্য হয়ে উঠছে। আপনার কম্পিউটারের কাজকে আরো অনেক সহজ ও গতিময় করে দিতে সবশেষে যোগ করা হয়েছে বেসিক ও এডভান্সড কম্পিউটার শর্টকাট।

অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে অজানা তথ্য

http://bdwedding.blogspot.com/

আমাদের মাঝে যারা স্মার্টফোন ব্যাবহার করি তার মধ্যে ৭০ ভাগ ইউজার অ্যান্ড্রয়েড ব্যাবহার করি। যেহেতু অ্যান্ড্রয়েড একটি লিনাক্স বেইসড অপারেটিং সিস্টেম তাই কম দামের মধ্যেই এই ওএস টি আমরা ব্যাবহার করতে পারছি। তবে ব্যাবহার করাটাই শেষ না। ইউজ করতে গিয়ে আমরা অনেক প্রশ্ন জেগে উঠে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ও কমন একটি প্রশ্ন হলো যা আমরা সবাই কমবেশি করে থাকি তা হল ভাই আমার মোবাইল টা SLOW হয়ে গেছে। এটার স্পীড টা কিভাবে বাড়াবো? আমার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল টির পারফরমেন্স আরও ইম্প্রুভ করবো কিভাবে?? যদিও প্রশ্ন টি ছোট তবে এটার উত্তর অথবা সমাধান করতে হলে একটু পথ আপনাকে হাঁটা লাগবে। তাই আমি আজ এই স্পীড বাড়ানো ও পারফরমেন্স ইম্প্রুভ নিয়ে বিস্তারিত সমাধান দিচ্ছি যা আপনি অনুসরন করলে আপনার ডিভাইস এর ৩০-৪০% স্পীড বাড়াতে পারবেন।

১- ডিভাইস সম্পর্কে জানুনঃ সবার আগে আপনি আপনার নিজের মোবাইল অথবা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস সম্পর্কে জানুন। যেমন আপনার মোবাইল এর মডেল, এটার প্রসেসর স্পীড, RAM কতটুকু আছে ইত্যাদি। কারন আপনি যদি বুঝেন যে এক লিটার বোতল এ দুই লিটার পানি রাখা যাবেনা তাহলে সেই বোতল এ দুই লিটার পানি রাখার চিন্তা করবেন না। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এর পারফরমেন্স ও স্পীড অনেক টা এরকমই। কারন আপনার ডিভাইস এর কেপাসিটি এর উপর ডিপেন্ড করবে তার স্পীড কতটা হবে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন এর উপর না।

২- ভার্সন ও সিস্টেম আপডেট করুন– এবার আসুন আপনার মোবাইল এ চালিত অ্যান্ড্রয়েড এর ফার্মওয়্যার ভার্সন টি আপডেট করে নিন। যেমন এখন জেলি বিন 4.2.2 ভার্সন চলছে কিন্তু আপনি ইউজ করছেন ICS 4.0 ভার্সন। তাই আপনার ডিভাইস টি তুলনামূলক ভাবে SLOW থাকবে। তাই আপডেট করে নিন। তবে হাঁ… আপডেট করার আগে ১ নাম্বার এ যেটা বলেছি সেটা মাস্ট দেখতে হবে। মানে নতুন আপডেট আপনার ডিভাইস এ চলবে কিনা অথবা আপনার ডিভাইস সেটা সাপোর্ট করবে কিনা।

৩- অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলিট করুন– আমাদের ডিভাইস SLOW হয়ে যাওয়ার প্রধান কারন এই অ্যাপ। কারন আমরা অনেকেই করি কি অ্যাপ দেখলেই ডাউনলোড ও ইন্সটল করি যা আমরা ইউজ করিনা। করলেও মাঝে মাঝে ইউজ করি বলতে গেলে করি না বললেই চলে। কিন্তু মজার ব্যাপার হল এই অ্যাপ টি আপনার ডিভাইস এর জায়গা দখল করে আছে। অনেক অ্যাপ আছে বেকগ্রাউন্ড এ রানিং থাকে আর তাই একটু হলেও RAM ইউজ হচ্ছে। ধরেন এরকম ৫ টি অ্যাপস আছে আপনার ডিভাইস এ । যদি ৫ টি ৫এমবি করে RAM খায় তাহলে ২৫ এমবি যাচ্ছে এবং এটি অযথা। এতে করে আপনার ডিভাইস স্পীড কমে যাচ্ছে। তাই অযথা অ্যাপ গুলো রিমুভ করুন এখনই।

৪- অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিসেবল করুন– ৩ নাম্বার পয়েন্ট থেকে ধরে নিলাম আপনি অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ রিমুভ করলেন। এবার আসুন জেগুলা রেখেছেন সেগুলারে একটু মডিফাই করি। যেমন ধরুন Skype,Nimbuzz,Fring,Facebook,Twitter,Viber,Tango,WhatsApp ইত্যাদি অ্যাপ গুলো আমরা বেশিরভাগ ইউজার রা ইউজ করি। এখানে কথা হল এই অ্যাপ এর সবগুলাই ওপেন করলে তা ব্যাকগ্রাউন্ড এ রানিং থাকে যতক্ষণ না আপনি তাদের স্টপ করবেন। সুতরাং ২৪ ঘণ্টা যেই সার্ভিস টি তে আপনি অনলাইন থাকার দরকার নেই সেটি স্টপ অথবা ডিসেবল করে নিন। Settings>App>Running এ গেলে আপনি দেখতে পারবেন কোন অ্যাপ গুলো এখন রানিং এ আছে। যেমন আমি একটি অ্যাপ স্টপ করলাম যা ফাও ফাও ১০ এমবি RAM ইউজ করতেছিল এবং সেখানে আমার অনলাইন থাকার দরকার নাই। performance improve android

৫- আপডেট অ্যাপঃ রানিং অ্যাপ ও স্টপ করলেন। আসুন এবার আরেকধাপ কিছু করি। আমি যেই অ্যাপ গুলো ব্যাবহার করছি তার মধ্যে এই সপ্তাহে কোন না কোন একটি অ্যাপ নিউ ভার্সন আসতে পারে। মানে সেটি আপডেট করা দরকার। আমরা অনেকে মনে করি অ্যাপ আপডেট করে শুধু শুধু ফাও ইন্টারনেট খরচ হচ্ছে । কিন্তু আসলে তা না… অ্যাপ ডেভেলপাররা সবসময় তাদের অ্যাপ গুলো কে এমনভাবে করতেছে যাতে আপনি খুব ভালভাবে তাদের অ্যাপ ইউজ করতে পারেন। এছাড়াও নতুন নতুন অনেক ফিচার এড করে তাদের অ্যাপ এ । তাই কিছু সময় পর পর অনেক অ্যাপ এর আপডেট পাওয়া যায়। তাই আপনার ডিভাইস এ থাকা অ্যাপ গুলো আপডেট করে নিন। আপডেট করতে Play Store>Option>My Apps এ যান। ওখানে আপনার ডিভাইস এ ইন্সটল করা অ্যাপ গুলোর লিস্ট পাবেন এবং যে অ্যাপ গুলোর আপডেট আছে সেগুলো ও দেখাবে।

৬- ভালো মানের এসডি/মেমোরি কার্ডঃ এখানে আরেকটি বড় ফেক্ট আপনার ডিভাইস এর স্পীড এ। আমরা মাস্ট মেমোরি কার্ড ব্যাবহার করি প্রায় সকলেই। যদিও আমি করিনা কারন আমার ডিভাইস এর সাথে আসা মেমোরি আমার জন্যে যথেষ্ট কারন মোবাইল টা ওরকম ব্যাবহার করা হয় না শুদু রিসার্চ এর কাজে। যাই হোক, আপনাদের জন্যে বলছি… আমরা অনেকে করি কি ২০০-৩০০ টাকা দিয়া একটা চীনা মেমোরি কিনে সেটা মোবাইল এ ব্যাবহার করি। এখানেই বড় ভুল আমাদের। কারন সাইজ এ এক রকম হলেও চীনা অথবা কম দামি মেমোরি কার্ড এর স্পীড অনেক কম থাকে। অ্যাপল এর ম্যাক ও উইন্ডোজ পিসি এর কনফিগ এক রকমই থাকে তবুও অ্যাপল এর ম্যাক এর স্পীড বেশি। কারন ম্যাক এ ব্যাবহার করা হয় SSD ( Solid State Drive) আর উইন্ডোজ পিসি তে ব্যাবহার করা হয় HDD ( Hard Disk Drive ) । এইটুকু পার্থক্য যা ম্যাক এ ব্যাবহার করা হয়। আর এই ম্যাক এ ব্যাবহার করা এই এসএসডি এর স্পীড HDD এর তুলনায় কয়েকগুন বেশি তাই ম্যাক এর স্পীড বেশি হয়। তাই ভালো মানের মেমোরি কার্ড ব্যাবহার করুন।

৭- Widgets এর ব্যাবহারঃ আরেকটা ইম্পরট্যান্ট ব্যাপার হলো এই Widgets এর বেবহার। আমরা সবাই করি কি হোমস্ক্রিন গুলো রে বাগান এর মতো সাজাই Widgets দিয়া। হুদাই ফাও ফাও… এতো সাজাইয়া লাভ কি। বুঝলাম মোবাইল টা স্টাইলিশ করতেছেন। কিন্তু আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে স্টাইলিশ করতে গিয়া আপনার মোবাইল টা যে অচল হইয়া যাইতেছে!!! এছাড়াও মোবাইল এ আছে ৫০০এমবি RAM. কিন্তু আপনি যে পার্লার এর দায়িত্ব নিছেন সেটায় খরচ হয়ে যাচ্ছে এমনকি ২০০ MB RAM. এছাড়াও অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেম এ লাগে ২০০ MB এর মতো। তাইলে আর থাকলো কি!! তার মানে আপনার মোবাইল টি গণ্ডার এর মতো কাজ করবে। টাচ করবেন এখন আর সেটা রেসপন্স করবে ৫ সেকেন্ড পর। তাই বলছি যত পারবেন কম Widgets বেবহার করুন।
http://bdwedding.blogspot.com/

৮- লাইভ ওয়ালপেপার এর ব্যাবহারঃ আমরা অনেকেই Live Wallpapers ইউজ করি। এখানে ইউজ করায় বাধা দিলে আমি মাইর ও খাইতে পারি কারন এটা একটু ডায়নামিক ভাব আসে মোবাইল এ । আমিও আগে Live Wallpapers ইউজ করতাম তবে এখন করিনা। তবে এটা সত্যি যে Live Wallpapers ইউজ করলে এটি মোবাইল এর অনেকটা মেমোরি ইউজ করে যা অনেকটা অপ্রয়োজনীয়। তাই বলছি পারলে এটা ইউজ না করলেও হয় যদি আপনি আপনার ডিভাইস এর স্পীড ইম্প্রুভ করতে চান।

৯- Syncing অফ রাখুনঃ অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেম এর আরেকটি সুবিধা হলো লাইভ Syncing । আমাদের মাঝে অনেকেই এটা ইউজ করি। তবে বলছি কি খুব বেশি দরকার না হলে এটা ইউজ কইরেন না। কারন আপনার ডিভাইস টি ২৪ঘণ্টা ইন্টারনেট এ কানেক্ট থাকবে এই অপশন অন থাকলে এবং ডিভাইস এর মেমোরি ইউজ হবে। এতে করে ডিভাইস টি একটু স্লো হবে এবং ইন্টারনেট ডাটা খরচ হবে। ( আমি এটা সবসময় অন রাখি কারন এটা আমার অনেক দরকার। যেমন উপরে দেয়া ছবিগুলো Syncing এর মাধ্যমে আমার পিসি তে পেয়েছি, ক্যাবল দিয়া কানেক্ট করতে হয় নি এছাড়াও আমার নেট ওয়াইফাই এ চলে।)

১০- Animations অফ রাখুনঃ এই অপশন টি আমাদের মাঝে ৭০% ইউজাররা জানিনা। তবে এটা বাই ডিফল্ট অন করা থাকে। তবে এটা হুদাই আকামলা না থাকলেও প্রবলেম নাই। আমি অফ করেই রেখেছি শুরু থেকে। তার মানে এই না আমি মোবাইল ইউজ এ মজা পাই না। আসুন দেখি কিভাবে Animations অফ রাখতে হবে। এটি অফ করার জন্যে- Settings > Developer Options এ যান। এর পর নিচের ছবিতে দেখুন আমি তিনটি অপশন অফ রেখেছি। আপনি চাইলে তিনটি অথবা প্রথম দুইটি অফ রাখলেই হবে। turn off animation

এই ১০ টি টিপস আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি… এবং আপনি এই টিপস গুলো অনুসরন করলে আমি গ্যারান্টি দিতে পারি যে আপনার ডিভাইস এর স্পীড ও পারফরমেন্স বাড়বেই। তবে হাঁ অনেকেই বলতে পারেন ভাই অনেক অ্যাপ আছে যেমন মেমোরি বুস্টার,স্পীড বুস্টার ইত্যাদি। তো আমরা কি সেগুলা ইউজ করতে পারি?? হাঁ পারেন… তবে আমি বলি কি সেগুলা ইউজ করা তা হেলথ এর জন্য উপকারি না। কারন ওইসব অ্যাপ ইউজ করলে ডিভাইস বেশিদিন টিকে না। তবে আমিও ইউজ করি কারন এক ডিভাইস সারাজীবন ইউজ করবো নাকি!! আচ্ছা ঠিক আছে… বুঝলাম এখন প্রশ্ন করবেন তাহলে ওইসব অ্যাপ এর মধ্যে কোনটা বেশি ভালো?? কোনটা ইউজ করবো?? আপনাদের ওই সব অ্যাপ নিয়ে বিস্তারিত লিখে আপডেট করে দিব। ততক্ষন আমাদের সাথেই থাকুন
http://bdwedding.blogspot.com/

All About Android - Basic Education About Android Operating System (AOS) - Android Developer / Android for my PC / Android apk help

http://bdwedding.blogspot.com/


স্মার্টফোন বাজারে দিন দিন অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কিছুদিন পর পর এ আসছে নতুন নতুন সব অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস। আর এইসব ডিভাইস এ থাকছে নতুন নতুন সব ফিচার। প্রতিদিন অ্যান্ড্রয়েড পরিবার এ যোগ হচ্ছে নতুন মুখ। যারা নতুন ইউজার তাদের মনে জেগে উঠে নানা প্রশ্ন। আর এরকম কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আমাদের আজকের পোস্ট…

১) অ্যান্ড্রয়েড কি ?

অ্যান্ড্রয়েড হল লিনাক্স এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা একটি অপারেটিং সিস্টেম। সাধারনত টাচস্ক্রীন ফোন এবং ট্যাবলেট পিসি এর জন্য অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ করা হয়েছে। সিম্বিয়ান এবং উইন্ডোজ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে প্রতিযোগিতার জন্য ২০০৩ সালে Andy Rubin, Rich Miner, Nick Sears এবং Chris White অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলপ করার চেষ্টা চালান।
পরবর্তীতে ২০০৫ সালে গুগল এই অপারেটিং সিস্টেম টি কিনে নেয়। গুগল কিনে নেয়ার পর ও Rubin, Miner এবং Chris White গুগল এর সাথে থেকে যান এবং অ্যান্ড্রয়েড কে ডেভেলপ করার চেষ্টা চালিয়ে যান। মে ২০১৩ পর্যন্ত সারা বিশ্বে প্রায় ৯০০ মিলিওন অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস বিক্রি হয়েছে।

২) অ্যান্ড্রয়েড এর ভার্সনঃ 

অ্যান্ড্রয়েড এর ভার্সন গুলো দেখে নিন এক নজরে…
Cupcake: Android 1.5
Donut: Android 1.6
Eclair: Android 2.0, also 2.0.1 Android 2.1 Android 2.1-update1
Froyo: Android 2.2, also 2.2.x updates
Gingerbread: Android 2.3, also 2.3.x updates
Honeycomb: Android 3.0, also 3.0.x updates Android 3.1 Android 3.2
Ice Cream Sandwich: Android 4.0
Jelly Bean: Android 4.1 Android 4.2

৩) অ্যান্ড্রয়েড এর সুবিধাঃ

* মাল্টি টাস্কিং – যেমন আপনি গান শোনার সময় ও ফেসবুক ব্রাউজিং বা গেম খেলতে পারবেন।
* ইমেইল, ফেসবুক এবং টুইটার সহ যে কোন নোটিফিকেশন।
* নিজের মত করে ফোনে কে কাস্টমাইজ করার সুযোগ।
* রুট করার সুবিধা।
* কাস্টম রম ইন্সটল করার সুযোগ।
* লক্ষ লক্ষ অ্যাপ পাবেন প্লে স্টোর এ।
*হাজার হাজার থিম, ওয়ালপেপার, লাইভ ওয়ালপেপার

৪) রুট কি ?

– সাধারন অর্থে রুট বলতে আমরা বুঝি গাছের মাটির নিচের অংশ বা মূল। কিন্তু না বন্ধুরা অ্যান্ড্রয়েড রুট বলতে এমন কিছুই বুঝায় না। অ্যান্ড্রয়েড রুট হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনের এডমিন হওয়ার সুযোগ পাবেন। এতদিন আপনার ফোনের কন্ট্রোল ছিল গুগল এর কাছে। রুট করার মাধ্যমে আপনি হয়ে যাবেন আপনার ফোনের কন্ট্রোলার। রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনে কাস্টম রম, কাস্টম কার্নেল, কাস্টম রিকভারি ইন্সটল করতে পারবেন।

৫) কাস্টম রম কি ?

কাস্টম রম হল অ্যান্ড্রয়েড বেজড কিছু কাস্টমাইজড অপারেটিং সিস্টেম। যেমন Samsung এর মূল ইউজার ইন্টারফেস হল এবং HTC এর ইউজার ইন্টারফেস হল । ঠিক তেমনি এই সব ইউজার ইন্টারফেস কে আরও কাস্টমাইজ করে এবং নানা রকম সুযোগ সুবিধা যোগ করে তৈরি করা হয় বিভিন্ন কাস্টম রম। যেমন Cyanogenmod, AoKp এর কাস্টম রম। আপনার ফোন অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড আপডেট না পেলেও রুট করে কাস্টম রম ইন্সটল করার মাধ্যমে আপনি আপডেটেড অ্যান্ড্রয়েড এর মজা নিতে পারবেন।

৬) রুট করার পর আপনি কি অফিসিয়াল আপডেট পাবেন ?

এর উত্তর দুইটি। প্রথম উত্তর না কারণ রুট করার পর আপনি আপনার ডিভাইস এ কোন প্রকার OTA (ওভার দা এয়ার) আপডেট পাবেন না। দ্বিতীয় উত্তর হল হ্যাঁ। কারণ OTA আপডেট না পেলেও আপনি ম্যানুয়ালি আপনার ডিভাইস এ রিলিজ পাওয়া অফিসিয়াল আপডেট ইন্সটল করতে পারবেন।

৭) রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা গুলো কি ?

রুট করলে আপনি প্রথম যে সুবিধাটি ভোগ করতে পারছেন তা হচ্ছে যেকোনো বিশেষ অ্যাপস আপনি আপনার সেট এ ইন্সটল করে চালাতে পারবেন। আপনি রুট করার পর ইচ্ছা হলে অপ্রয়োজনীয় সিস্টেম অ্যাপস ডিলিট করে দিতে পারবেন। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে নিতে পারবেন এবং সেই সাথে অ্যাপস স্টোরের সব পেইড গেমস ও চালাতে পারবেন।

কাস্টম রম ইন্সটল

আজকাল বিভিন্ন ফোরাম এবং ব্লগ সাইট গুলিতে গেলেই দেখা মেলে নানাবিধ অ্যান্ডড্রয়েড কাস্টম রম। সাধারণত অ্যান্ডড্রয়েড নিয়ে আগ্রহী ইউজাররাই এই সকল রম নিয়ে গবেষণা করেন। এই কাস্টম রমগুলির সবথেকে বড় সুবিধা হল এগুলি বিভিন্ন ভাবে টিউন করা যার ফলে পারফরম্যান্স স্টক রম থেকে অনেক সময় বেশ উন্নত থাকে। অ্যান্ডড্রয়েেডর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা মানা হয় তার ব্যাটারিকে এবং কাস্টম রম অনেক সময় এই দুর্বলতা দুর করতে পারঙ্গম।

কাস্টম কারনেল ব্যবহার

অ্যান্ডড্রয়েড ডিভাইস চালানর মূলে রম থাকলেও, কাজগুলোর কম্যান্ড করে কারনেল ফাইল। আপনি যখন আপনার ফোনে টাচ করেন বা ফোনটিকে বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ঘোরান, তখন কার্নেল নির্দেশ করে অ্যাপ্লিকেশানকে। আপগ্রেড কার্নেল ব্যবহার করে আপনার ফোনের পারফরমান্স বাড়াতে পারেন।

ব্যাটারি এবং সিপিউ স্পিড

রুট করার পরে যদি কাস্টম রম ইন্সটল করেন তবে সিপিউ কিভাবে ব্যবহার করবেন তার কিছু অপশন পাবেন যেমন Governor, Performance ইত্যাদি। এগুলি ব্যাবহার করলে আপনার ফোনের স্পিড সর্বনিম্ন ব্যাটারি খরচে পেতে পারেন। এছাড়া Overclock এবং Underclock এর মাধ্যমে সিপিউ স্পিড মেন্টেন করতে পারবেন।
আরো কিছু অ্যাপস আছে যেগুলো দিয়ে আপনি ইচ্ছা মত সিপিউ ইউসেজ কন্ট্রোল করতে পারবেন।

• Set CPU
• No-frills CPU
• Tegrak Overlock

ইন্টারনাল Storage বাড়ানো

যাদের ফোনে ইন্টারনাল মেমোরি কম তারা চাইলে রুট করার মাধ্যমে যেকোনো অ্যাপ্লিকেশান SD কাের্ড ট্রান্সফার করে নিতে পারবেন। কিন্তু এই কাজটির জন্য রুট করা আবশ্যক। কিছু কিছু অ্যাপ্লিকেশান Storage ট্রান্সফার করার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা দিলেও অনেক অ্যাপস আছে যেগুলো রুট করা ছাড়া ট্রান্সফার একরকম অসম্ভব। যেমন আপনি চাইছেন আপনার সেটে জেলিবিন আপডেট করবেন কিন্তু তার জন্য আপনি সেটের ডাটা ব্যাকআপ নিতে চাইছেন। এখন আপনি যদি ব্যাকাপ নেবার জন্য কোন বিশেষ অ্যাপস ইন্সটল করতে চান তার জন্য অবশ্যই আপনার সেটটিকে রুট করে নিতে হবে।

ব্যাকআপ তৈরি

রুট করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে ব্যাকআপ তৈরি করা যেখান থেকে আপনি পরবর্তী যেকোনো সময়ে সিস্টেম রিস্টরের মত পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারবেন। আর এটা বলা বাহুল্য যে সেট রুট না করলে আপনি কখনই সম্পূর্ণ ব্যাকআপ নিতে পারবেন না। আর এই ব্যাকআপটি এমনই যে আপনি যে অবস্থা থেকে ব্যাকআপ নিয়েছেন পরবর্তীতে ঠিক সেই অবস্থায় ফিরে যেতে পারবেন আপনার অ্যাপ্লিকেশান সেটিংস্‌ সহ।

রিস্ক ইন রুটিং

রুটিং এর রয়েছে নানাবিধ ঝামেলা এবং অসুবিধা। সাধারনত এক্সপার্টরা রুটিং করার পরামর্শ দেননা। আপনি যদি জানেন আপনার সেট রুট করা কেন দরকার, সেক্ষেত্রে আপনি রুট করার কথা ভাবতে পারেন।

ব্রিকিং অথবা ব্রিক দ্যা ডিভাইস

আপনি যদি রুট করতে গিয়ে আপনার ডিভাইসে ভুল রম ইন্সটল করেন যা আপনার ফোনের সাথে কম্প্যাটিবল নয় বা রুট প্রসেসের কোন ধাপ অসাবধানতায় মিস করেছেন অথবা রুট প্রসেসের মাঝপথে বিদ্যুৎ বিঘ্ন ঘটলে আপনার প্রিয় সেটটি একটি brick অথবা ইটের টুকরায় পরিনত হবে। Brick দুইভাবে হতে পারে, সফট ব্রিক অথবা হার্ড ব্রিক। সফট ব্রিকের ক্ষেত্রে তাও একটু আশা আছে, হার্ড ব্রিকের ক্ষেত্রে সেটাও ক্ষীণ।

ওয়ারেন্টি নষ্ট

সাধারনত কোন কোম্পানি চায়না তাদের ডিভাইসটা অন্যকেও কাসটমাইজ করুক। যার কারনে ওয়ারেন্টি থাকাকালীন সময়ে রুট করলে ডিভাইসের ওয়ারেন্টি ভয়েড হয়ে যেতে পারে।

স্লোস্পিড

স্পিড বাড়ানো যদিও রুট করা মূল উদ্দেশ্য, তারপরও অনেক সময় ডিভাইসের সমস্যার কারনে রুট করার ফলে স্পিড কমে যেতে পারে। এছাড়া ভাইরাস নামক যন্ত্রণাতো আছেই। কিন্তু কিছু পেতে গেলে কিছু ছাড় তো দিতেই হয়।

৮) রুট না করে কি কাস্টম রম ইন্সটল করা যাবে?

– না। রুট না করলে আপনি আপনার ডিভাইস এ কাস্টম রম ইন্সটল করতে পারবেন না। কাস্টম রম ইন্সটল করার জন্য কাস্টম রিকভারির প্রয়োজন হয়। র রিকভারি ইন্সটল করার জন্য রুট করা আবশ্যক।

৯) কাস্টম রিকভারি কি?

কাস্টম রিকভারি হচ্ছে এমন একটি সিস্টেম জা আপনাকে আপনার ফোনের ব্যাক আপ রাখতে সাহায্য করবে। শুধু তাই নয় কাস্টম রম এবং বিভিন্ন কাস্টম মোডিফিকেশন ইন্সটল করতে আপনাকে সাহায্য করবে। রুট করে কাস্টম রিকভারি ইন্সটল করার পর ফোন রি-স্টার্ট করে আপনি রিকভারি মোড এ যেতে পারবেন।

১০) রম ফ্ল্যাশ করা মানে কি বুঝায় ?

– রম বা কাস্টম রম ফ্ল্যাশ করা মানে রিকভারি মোডের সাহায্যে আপনি আপনার ফোনে নতুন কাস্টম রম ইন্সটল করা বুঝায়।

১১) বুট লোডার কি ?

বুট লোডার হচ্ছে এক ধরনের কোড বা কমান্ড যা যে কোন অপারেটিং সিস্টেম কে চালু হতে সাহায্য করে। সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বুট লোডার দেয়া থাকে যা ফোনের অপারেটিং সিস্টেম কে নরমালি বুট হতে নির্দেশনা দেয়। আমরা সবাই জানি অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। যে কেউ এই সিস্টেম কে ডেভেলপ করতে পারে। তাই বিভিন্ন স্মার্টফোন কোম্পানি তাদের স্মার্টফোন গুলোর জন্য নিজস্ব বুট লোডার তৈরি করে। আপনি যাতে আপনার স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম টাকে নষ্ট না করে ফেলেন সে জন্য কোম্পানি গুলো বুট লোডার লক করে দেয় ।

১২) বুট লোডার আনলক না করে কি কাস্টম রম ইন্সটল করা যায় ?

– না। বুট লোডার আনলক না করে কাস্টম রম ইন্সটল করা যাবে না। কাস্টম রম ইন্সটল করার জন্য বুট লোডার আনলক করা জরুরি।

১৩) স্মার্টফোন কি ব্রিক হয়? কিভাবে ব্রিক হয় ?

– হ্যাঁ, স্মার্টফোন ব্রিক হয়। আপনার ফোন টি ব্রিক হতে পারে যদি ফোন রুট বা রম ইন্সটল করার সময় রুট বা ইন্সটল প্রসেস কোন কারনে বাধা পায়। এছাড়া ভুল কাস্টম কার্নেল ইন্সটল করলেও আপনার ফোন টি ব্রিক হতে পারে